🔴 ব্রেকিং
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
ADVERTISEMENT — Top Banner

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর →
সংবাদ লোড হচ্ছে...

সুনামগঞ্জ

সব খবর →

জাতীয়

সব খবর →

রাজনীতি

সব খবর →

অপরাধ

সব খবর →

খেলাধুলা

সব খবর →

বিনোদন

সব খবর →

সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান - সুনামগঞ্জ জেলার পর্যটন স্থান - Sunamgonj tour

 সুনামগঞ্জের দর্শনীয় স্থান 

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় ভ্রমণ প্রিয় বন্ধুরা স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই নতুন আর্টিকেলে ।


আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ  কি এবং কিভাবে ভ্রমণ করবো ।

সুনামগঞ্জ সিলেট বিভাগের একটি জেলা । সিলেটের মতো হাজারো ঐতিহ্য ও ইতিহাসে ঘেরা এই সুনামগঞ্জ । এখানে প্রাচীন মরমী সাধক গনতো আছেনই তার পাশাপাশি সুনামগঞ্জ এর নয়নাভিরাম দৃশ্য সব সময়েই মানুষকে করে আকর্ষিত । এজন্য প্রতিবছর ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক এই সুনামগঞ্জে । তাই তাদের ভ্রমনের সুবিদার্থেই আজকের আর্টিকেলে আমরা সুনামগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান সমূহ তুলে ধরবো । তাহলে চলুন শুরু করি ।




একনজরে সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ 


সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর 

সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর - সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর - সুনামগঞ্জ 


সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর সুনামগঞ্জ সদরের - জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত । সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘরে প্রাচীন মরমী সাধকদের ছবি এবং প্রতিলিপি দেখতে পাবেন । এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিদের ছবি দেখতে পাবেন সেখানে । এবং সেখানে প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থাদি ও যুদ্ধাস্হ দেখতে পাবেন । যা দেখে আপনার মনে হবে আপনি প্রাচীন যুগে ফিরে যাচ্ছেন ।



সুনামগঞ্জ রিভার ভিউ 

রিভার ভিউ সুনামগঞ্জ - সুনামগঞ্জ
রিভার ভিউ সুনামগঞ্জ - সুনামগঞ্জ 


সুনামগঞ্জ রিভার ভিউ সেটাও সুনামগঞ্জ সদরেই অবস্হিত । সেটাও একটা চমৎকার জায়গা সেখানেই সুরমা নদীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে মানুষ ভিড় করে প্রতিনিয়ত । 



হাসন রাজার মিউজিয়াম 

হাসন রাজা মিউজিয়াম - সুনামগঞ্জ
হাসন রাজা মিউজিয়াম - সুনামগঞ্জ 


হাসন রাজার মিউজিয়াম সুনামগঞ্জ সদরে আলফিন নগর সাহেব বাড়ী ঘাটের পূর্ব পাশে অবস্হিত । সেখানে মরমী সাধক হাসন রাজার বিভিন্ন স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে পাবেন । 



হাওর বিলাস

হাওড় বিলাস - বিশম্বরপুর - সুনামগঞ্জ
হাওড় বিলাস - বিশম্বরপুর - সুনামগঞ্জ 


হাওর বিলাস সুনামগঞ্জ জেলার বিশম্বরপুর উপজেলায় এ অবস্হিত । সেখানে থেকে আপনারা হাওড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন । সেখানে প্রতিনিয়ত শতশত মানুষ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ভিড় জমায় ।


পাহাড় বিলাস 

পাহাড় বিলাস - বিশম্বরপুর - সুনামগঞ্জ
পাহাড় বিলাস - বিশম্বরপুর - সুনামগঞ্জ 


পাহাড় বিলাস ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলার বিশম্বরপুর উপজেলাতে অবস্হিত । সেখানে ও শতশত মানুষ ভিড় করে প্রতিনিয়ত সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য । 



টাঙ্গুয়ার হাওর

টাঙ্গুয়ার হাওর - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ
টাঙ্গুয়ার হাওর 


টাঙ্গুয়ার হাওর নামটির সাথে সবাই কমবেশি পরিচিত । টাঙ্গুয়ার হাওর ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলাতে অবস্হিত । টাঙ্গুয়ার হাওরের নৈসর্গিক সুন্দর উপভোগ করতে নৌকা নিয়ে প্রতিনিয়ত ভীড় করে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকরা । সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি এই টাঙ্গুয়ার হাওড় ।


শিমুল বাগান 

শিমুল বাগান - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ
শিমুল বাগান - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ 


শিমুল বাগান (Shimul Bagan) ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর নিকটবর্তী মানিগাঁও গ্রামে অবস্থিত। সেখানে রয়েছে এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ।



শহীদ সিরাজ লেক 

    নীলাদ্রী লেক 

নীলাদ্রি - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ
নীলাদ্রি - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ 


শহীদ সিরাজ লেক বা নীলাদ্রি ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলার অন্তগত তাহিরপুর উপজেলায় ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে অবস্হিত । সেখান থেকে প্রকৃতির নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে পাবেন যা দেখে হৃদয় জুড়িয়ে যাবে । 


যাদুকাটা নদী 

যাদুকাটা নদী - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ
যাদুকাটা নদী - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ 


যাদুকাটা নদী সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় অবস্হিত ।  যাদুকাটা নদী বা যদুকাটা নদী বা জাদুকাটা নদী (Jadukata River) রূপ আর সম্পদের নদী। এখানে প্রকৃতি তার অকৃপণ হাতে বিলিয়ে দিয়েছে অফুরন্ত সম্পদ, আর অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য। নদীর স্বচ্ছ পানি, নীল আকাশ এবং সবুজ পাহাড় একসাথে মিলে অপূর্ব এক সুন্দর ক্যানভাস তৈরী করেছে।


বারেক টিলা

বারেক টিলা - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ
বারেক টিলা - তাহিরপুর - সুনামগঞ্জ 


বারেক টিলা (Barek Tila) সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে অবস্থিত। বারিক্কা টিলা (Barikka Tila) বা বারিক টিলা (Barik …


আরো পড়ুন 

সুনামগঞ্জ জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 

একনজরে সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান 

পাইলগাঁও জমিদার বাড়ী 

পাইলগাঁও জমিদার বাড়ী - জগন্নাথপুর - সুনামগঞ্জ
পাইলগাঁও জমিদার বাড়ী - সুনামগঞ্জ 


পাইলগাও জমিদার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান, যা সিলেটের জগন্নাথপুরের অন্তর্গত ৯ নম্বার পাইলগাও ইউনিয়নের পাইলগাও গ্রামে অবস্থিত। জমিদারির নিদর্শন হিসাবে আজও দাড়িয়ে আছে এই প্রাসাদটি।


চাতক লাল পাহাড় 

চাতক লাল পাহাড় - চাতক - সুনামগঞ্জ
চাতক লাল পাহাড় - চাতক - সুনামগঞ্জ 


লাল পাহাড় ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় অবস্থিত। এটি দেশের অন্যতম সুন্দর একটি পাহাড়। উক্ত পাহাড়ের রঙ লালচে হওয়ায় সবার কাছেই ভালো লাগে ও মন কাড়ে। পাহাড়টি এ অঞ্চলের অঘোষিত প্রাকৃতিক ওয়াচ টাওয়ার । লাল পাহাড়ে গেলে আপনার অনভূতিই অন্য রকম হয়ে যাবে।


লাল পাহাড় এ “ছুয়ে দিলে মন” বাংলা ছায়াছবির শুটিং করা হয়। হৃদয়পুর নাম দেয়া হয় ঐ এলাকাকে। 


ডলুরা স্মৃতিসৌধ 

ডলুরা স্মৃতিসৌধ - দোয়ারা - সুনামগঞ্জ
ডলুরা স্মৃতিসৌধ 


সুনামগঞ্জ শহর থেকে ১২ কি.মি. দূরের নারায়ণতলায় অবস্হিত ডলুরা স্মৃতিসৌধ । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সুনামগঞ্জের এক রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে। বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী সীমান্তবর্তী শান্ত, সুন্দর সুর সঙ্গীতের এ জনপদকে রক্তে রঞ্জিত করে। ইতিহাসের এ নির্মমতার সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ডলুরা স্মৃতিসৌধ টি । ১৯৭১ সালে ৪৮ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে সমাহিত করা হয়। তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয় এই ডলুরা স্মৃতিসৌধ। শুধু ঐতিহাসিক কারণে নয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারনেও নারায়ণতলা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মেঘ ছুঁয়ে বেড়ে উঠা দূর মেঘালয় পাহাড় আর বাংলাদেশের সীমান্তে ঘুমিয়ে থাকা এ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাজানাতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে যাতায়াত করে। বর্তমানে স্মৃতিসৌধটি সংস্কারের ফলে পর্যটকদের সংখ্যা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে ।

বাচ্চুনগর পিকনিক স্পট 

বাচ্চুনগর পিকনিক স্পট সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নারায়ণতলায় অবস্হিত । 
দেখতে এ অপরূপ জায়গা এটি ।

ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ কিভাবে আসবেন 


আপনারা অনেকেই সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ দেখতে আসতে চান । তাই তাদের জন্যই বলছি আপনি যেকোন বাস দিয়েই আসতে পারবেন ।

ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ গ্রামী অনেক বাস আছে । যেমন এনা , হানিফ , আল মুবারাকা , বিআরটিসি আরো অনেক বাস আছে এগুলো দিয়ে আসতে পারবেন । জনপ্রতি ভাড়া নিবে 700- 800 টাকা । 


 

ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ আসুন , দেখুন সুনামগঞ্জ এর প্রাচীন ইতিহাস জানুন ।

আর সুনামগঞ্জ ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে আজ এই পর্যন্তই বিদায় নিলাম । 

আরো পড়ুন  


ট্যাগ সমূহ :

সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান 

সুনামগঞ্জ জেলার পর্যটন স্হান 

পর্যটন কেন্দ্র সুনামগঞ্জ 

টাংগুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ 

টাংগুয়ার হাওর 

সুনামগঞ্জ 

সুনামগঞ্জ জেলা 

সুনামগঞ্জ রিভার বিউ

সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর 

পাহাড় বিলাস 

হাওড় বিলাস 

সিলেট জেলা - সিলেটের দর্শনীয় স্থান - sylhet

একনজরে  সিলেট জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হচ্ছে সিলেট । এই বিভাগটি যেমন ওলী আউলিয়ার জন্য বিখ্যাত ঠিক তেমনি এই সিলেট বিভাগটি সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত ।

আজকের আর্টিকেলে আমরা সিলেট সমন্ধে সকল কিছু জানবো । 

চলুন তাহলে জেনে নেই । 

সিলেট জেলার নামকরণ - সিলেটের দর্শনীয় স্থান
সিলেট জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 





সিলেট জেলার অবস্থান 

উত্তরে ভারতের খাসিয়া, জৈন্তিয়া পাহাড় (ভারতের মেঘালয় রাজ্য), দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা (ভারতের আসাম রাজ্য) ও পশ্চিমে সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ জেলা


সিলেট জেলার নামকরণ 

প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলের (সিলেটের) বিভিন্ন নামের উল্লেখ আছে।


হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের  স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায়  বিশ্বাস করেন।


খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান  লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে।


চীনা মানুষ—অতঃপর ৬৪০ খ্রিষ্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তার ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন। তুর্কি সেনাপতি


ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী  দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।


যখন "সিলেটে" "হযরত শাহ্ জালাল" আসেন তখন শত্রু পক্ষ তাকে এবং তার অনুসারী ৩৬০ আউলিয়াদেরকে "শিলা" বা "পাথর" দ্বারা আটকেে দিয়েছিল। তখন মহান আল্লাহ্ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে তিনি বলেন "শিলাহাট"(অর্থ্যাৎ- পাথর সরে যা)। তখন, তথখনাৎ পাথর গুলো সরে যায়। এই থেকে নাম রাখা হয় "শিলাহাট"। তারপর নাম সহজ করতে করতে হয় "শিলহাট", "সিলাহেট", "সিলেট (বর্তমানে)"।



এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়।

( তথ্য সুত্র : উইকিপিডিয়া ) 




সিলেট জেলার আয়তন  


৩,৪৫২.০৭ বর্গ কি.মি বা ১৩৩২.০০ বর্গমাইল



সিলেট জেলার জনসংখ্যা

সিলেট বিভাগের মোট জনসংখ্যা প্রায়

৩৫,৬৭,১৩৮ জন (২০১১)


(পুরুষ ১৭,৯৩,৮৫৮ জন এবং মহিলা ১৭,৭৩,২৮০ জন)




সিলেট জেলাতে যেযে উপজাতি বসবাস করে 


মোট ১৭,৩৬৩ জন (আদম শুমারী ২০০১)

(প্রধানত মণিপুরি, পাত্র, খাসিয়া, চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল)





সিলেট  সংসদীয় আসন

সিলেট জেলাতে সংসদীয় আসন ০৬ টি


সংরক্ষিত আসন

:

০১ টি


সিলেট জেলার শিক্ষার হার


সিলেট জেলার শিক্ষার হার বর্তমানে ৫১.২ %



সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ 


সিলেট বিভাগের মোট জেলা চারটি ।

নিজে চাঁরটি জেলার নাম দেওয়া হলো :


1) সিলেট জেলা 

2) সুনামগঞ্জ জেলা 

3) হবিগঞ্জ জেলা

4) মৌলভীবাজার জেলা 



সিলেট জেলার উপজেলা 


সিলেট জেলায় উপজেলা মোট ১৩ টি ।

নিছে এগুলোর উপজেলার তালিকা দেওয়া হলো :


01) সিলেট


02) বিয়ানীবাজার


03) বিশ্বনাথ


04) কোম্পানীগঞ্জ


05) ফেঞ্চুগঞ্জ


06) গোলাপগঞ্জ


07) গোয়াইনঘাট


08) জৈন্তাপুর


09) জকিগঞ্জ


10) বালাগঞ্জ


11) দক্ষিণ সুরমা


12) কানাইঘাট


13) ওসমানীনগর



সিলেট বিভাগের দর্শণীয় স্থানসমূহ


সিলেটের দর্শনীয় স্থান   


1) হযরত শাহজালাল (রঃ) এবং হযরত শাহপরাণ (রঃ) এর মাজার, সিলেট।

2) জাফলং , শ্রীপুর

3) তামাবিল,

4) ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী,

5) লাক্কাতুরা চা বাগান, 

6) বিছনাকান্দি, 

7) খাসিয়াপুঞ্জি,

8) জৈন্তার রাজবাড়ী, জৈন্তাপুর, সিলেট।

9) শ্রী চৈতন্যের জন্মস্থান, গোলাপগঞ্জ, সিলেট।

10) রাতারগুল, গোয়াইনঘাট, সিলেট।

11) আলি আমজাদের ঘড়ি


 

সিলেটের প্রধান নদী 

সিলেটের প্রধান নদী সমূহের মধ্যে সুরমা নদী সবথেকে দীর্ঘতম  । সুরমা (৩৫০ কি.মি.), অপর বৃহৎ নদী হলো কুশিয়ারা, এছাড়াও রয়েছে সারি, পিয়াইন নদী ইত্যাদি ।



ট্যাগ সমূহ :

সিলেট জেলার ইতিহাস,  সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান , সিলেটের দর্শনীয় স্থান,  সিলেট পর্যটন কেন্দ্র , শাহজালাল মাজার , শাহপরান মাজার , ঢাকা থেকে সিলেট, সিলেটের জাফলং,  Sylhet division, Sylhet tour, Sylhet district , সিলেট শহর ,


দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম, application,2022

 

দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ।

আজকে আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখবো এবং । একটা শিখে কি করে অনেকগুলো দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখা যায় সেই বিষয়ে আজকের লেখাটা । 


দরখাস্ত লেখার নিয়ম / পদ্ধতি 




দরখাস্ত লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আর এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে দরখাস্ত না  লিখলে দরখাস্ত বর্জন করা হয়। তাহলে চলুন জেনে নেই সঠিক দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী-


প্রথমে সবার উপরে তারিখ লিখতে হয়।

 এরপর প্রাপকের নাম, পদবী এবং ঠিকানা লিখতে হবে। 

এর নিচে আপনার আবেদন এর বিষয় লিখতে হবে। 

আবেদনের বিষয় আপনার আবেদনের মূল অংশ।

 বিষয় লেখার নিচে জনাব/জনাবা শব্দটি লিখতে হয়। তবে বর্তমানে জনাবা লেখা হয় না। তা  জনাব লেখায় শ্রেয়। 

এরপর আপনার আবেদনপত্রটি যে বিষয়ে লেখা হবে ঠিক সে বিষয়ে নিয়ে আপনার সংক্ষিপ্ত আকারে গঠনমূলকভাবে বর্ণনা করবেন। 

আপনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লেখার পর নিচে বিনীত/ইতি কথাটি লিখতে হয়।

এরপর আপনার নাম অর্থাৎ আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা দিতে হবে।

 এখন আপনার আবেদনপত্রটি একটি সুন্দর খামের মধ্যে রেখে প্রাপকের নিকট পাঠাতে হবে। 


দরখাস্ত লেখার নমুনা


সঠিকভাবে দরখাস্ত লেখার নমুনা নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ-


তারিখঃ ০১/০১/২০২২ ইং

বরাবর

প্রধান শিক্ষক

আদর্শ উচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়

যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০০


বিষয়ঃ (এখানে আপনার দরখাস্ত এর বিষয় দিবেন )


জনাব

সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুল/মাদরাসা/কলেজের নিয়মিত ছাত্র/ছাত্রী (এরপর এখানে সংক্ষিপ্তে আপনার প্রয়োজনীয় কথা উল্লেখ করবেন)


বিনীত

আপনার নাম:

শ্রেণীঃ 

রোল- 

আরো পড়ুন > এনআইডি কার্ড কি কি কাজে লাগে 

উদাহরণ :


তারিখ:

বরাবর,

প্রধান শিক্ষক

লক্ষ্মীপুর সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়,জামালগনঞ্জ

বিষয়:অসুস্হতার জন্য ছুটির আবেদন

জনাব

সবিনয় বিনীত নিবেদন এইযে আমি আপনার স্কুল/মাদরাসার একজন নিয়মিত ছাত্র । আমি গত দুদিন যাবত হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় আমার তিনদিনের ছুটির প্রয়োজন । তাই আমাকে ছুটি দিতে জনাবের যেন মর্জি হয় ।


বিনীত

ইফতিখার মাহনুজ (জিসান)

শ্রেনী:৫ম

রোল:০৩

আরো পড়ুন > ইংরেজীতে প্যারাগ্রাফ লেখার সহজ নিয়ম 

আরো পড়ুন : প্রেম কি - প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র

আরো পড়ুন : কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সময়সূচি 

Contact Form

JSON Variables

Tarunner konto - তারুণ্যের কন্ঠ

Search This Blog

Subscribe Us

Ad Space

Responsive Advertisement

#Advertisement

Latest

{getWidget} $results={3} $label={recent} $type={list2}

Labels

Labels

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's.

Comments

{getWidget} $results={3} $label={comments} $type={list1}

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Popular Posts

দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম, application,2022

  দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম । আজকে আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখবো এবং । একটা শিখে কি করে অনেকগুলো দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখা যায় সেই বিষয়ে আজকের লেখাটা ।  দরখাস্ত লেখার নিয়ম / পদ্ধতি  দরখাস্ত লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আর এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে দরখাস্ত না  লিখলে দরখাস্ত বর্জন করা হয়। তাহলে চলুন জেনে নেই সঠিক দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী- প্রথমে সবার উপরে তারিখ লিখতে হয়।  এরপর প্রাপকের নাম, পদবী এবং ঠিকানা লিখতে হবে।  এর নিচে আপনার আবেদন এর বিষয় লিখতে হবে।  আবেদনের বিষয় আপনার আবেদনের মূল অংশ।  বিষয় লেখার নিচে জনাব/জনাবা শব্দটি লিখতে হয়। তবে বর্তমানে জনাবা লেখা হয় না। তা  জনাব লেখায় শ্রেয়।  এরপর আপনার আবেদনপত্রটি যে বিষয়ে লেখা হবে ঠিক সে বিষয়ে নিয়ে আপনার সংক্ষিপ্ত আকারে গঠনমূলকভাবে বর্ণনা করবেন।  আপনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লেখার পর নিচে বিনীত/ইতি কথাটি লিখতে হয়। এরপর আপনার নাম অর্থাৎ আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা দিতে হবে।  এখন আপনার আবেদনপত্রটি একটি সুন্দর খামের মধ্যে রেখে প্রাপকের নিকট পাঠাতে হবে।  দরখাস্...

এপ্লিকেশন লেখার সহজ নিয়ম - ১ টি এপ্লিকেশন শিখে লেখুন ১০ টি এপ্লিকেশন ।

ইংরেজি এপ্লিকেশন লেখার নিয়ম English application format  সালামুআলাইকুম সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা সকলকে স্বাগত জানাই আজকের আমার স্বপ্ন টোয়েন্টিফোরের নতুন একটি আর্টিকলে ।  একটি এপ্লিকেশন দিয়ে লেখুন অনেক এপ্লিকেশন । magic Application 2022 এপ্লিকেশন লেখার কৌশল  বন্ধুরা অনেকেই আছেন যে অনেক লেখাপড়া করার পরেও ইংরেজি এপ্লিকেশন অনেক সময় কমন পড়ে না,  অথবা অল্প সময়ে অনেক গুলো (application ) পড়ার সময়ে নেই এবং এবং শর্টকাট টেকনিক দিয়ে Application লিখতে চান তাদের জন্যই মূলত এই  Magic Application টি ।  নিয়ম টি ফলো করতে পারেন --ইনশাআল্লাহ কাজে আসবে । অন্য পোষ্ট : কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সময়সূচি ২০২২ ■ magic application একটি শিখে যতগুলো লিখতে পারবেন তা হলো: 1) Common room  2) Computer club  3)Debating Club 4) Canteen  5) Literacy club 6) Reading Room  7) Dharma stage 8) Hostel 9) Multimedia classroom 10) Language club  উপরের দেওয়া সব গুলো Application লিখতে পারবেন ।  তাই চলো দেরি না করে দেখে নেই নিয়মটি । অন্য পোষ্ট : সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড না...

ঈদুল আযহা । ঈদুল আযহা কত তারিখ 2022 । কোরবানির ঈদ কবে । ঈদূল আযহা 2022

 সুপ্রিয় ইসলামী দ্বীনি ভাই এবং বোনেরা আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই আর্টিকেলে । ঈদুল আযহা কত তারিখে  সামনে আসছে ঈদ উল আযহার দিন অনেকে হয়তো জানে আর অনেকে হয়তো জানেনা ঈদুল আযহার তথা কোরবানির ঈদ কবে হবে । যারা জানেন না তাদেরকে অগ্রিম জানানোর জন্য আজকের পোস্টটি ।  আজকের  আর্টিকেল শিরোনাম : ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা কত তারিখে কোরবানির ঈদ ২০২২ কবে হবে  ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম কানুন ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত ঈদুল আজহার নামাজের কিছু জ্ঞাতব্য  আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে অনেককিছু জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হচ্ছে ঈদুল আযহার তথা কুরবানির ঈদ।   জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে যে আনন্দ ফুর্তি করা হয় তাকে ঈদুল আযহা বলা হয় । ঈদুল আযহা ২০২২ কত তারিখে  আপনারা হয়তো জানেন ঈদুল আযহার তথা কুরবানীর ঈদ উল ফিতরের প্রায় দুইমাস ১০ দিনপর জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ অনুষ্ঠিত হয় । স...

Top News

সীমান্ত টাইমস
প্রচ্ছদসুনামগঞ্জজাতীয়সারাদেশআন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅপরাধশিক্ষালাইফস্টাইলফটোভিডিও