🔴 ব্রেকিং
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
ADVERTISEMENT — Top Banner

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর →
সংবাদ লোড হচ্ছে...

সুনামগঞ্জ

সব খবর →

জাতীয়

সব খবর →

রাজনীতি

সব খবর →

অপরাধ

সব খবর →

খেলাধুলা

সব খবর →

বিনোদন

সব খবর →

সিলেট জেলা - সিলেটের দর্শনীয় স্থান - sylhet

একনজরে  সিলেট জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হচ্ছে সিলেট । এই বিভাগটি যেমন ওলী আউলিয়ার জন্য বিখ্যাত ঠিক তেমনি এই সিলেট বিভাগটি সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত ।

আজকের আর্টিকেলে আমরা সিলেট সমন্ধে সকল কিছু জানবো । 

চলুন তাহলে জেনে নেই । 

সিলেট জেলার নামকরণ - সিলেটের দর্শনীয় স্থান
সিলেট জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 





সিলেট জেলার অবস্থান 

উত্তরে ভারতের খাসিয়া, জৈন্তিয়া পাহাড় (ভারতের মেঘালয় রাজ্য), দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা (ভারতের আসাম রাজ্য) ও পশ্চিমে সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ জেলা


সিলেট জেলার নামকরণ 

প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলের (সিলেটের) বিভিন্ন নামের উল্লেখ আছে।


হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের  স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায়  বিশ্বাস করেন।


খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান  লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে।


চীনা মানুষ—অতঃপর ৬৪০ খ্রিষ্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তার ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন। তুর্কি সেনাপতি


ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী  দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।


যখন "সিলেটে" "হযরত শাহ্ জালাল" আসেন তখন শত্রু পক্ষ তাকে এবং তার অনুসারী ৩৬০ আউলিয়াদেরকে "শিলা" বা "পাথর" দ্বারা আটকেে দিয়েছিল। তখন মহান আল্লাহ্ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে তিনি বলেন "শিলাহাট"(অর্থ্যাৎ- পাথর সরে যা)। তখন, তথখনাৎ পাথর গুলো সরে যায়। এই থেকে নাম রাখা হয় "শিলাহাট"। তারপর নাম সহজ করতে করতে হয় "শিলহাট", "সিলাহেট", "সিলেট (বর্তমানে)"।



এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়।

( তথ্য সুত্র : উইকিপিডিয়া ) 




সিলেট জেলার আয়তন  


৩,৪৫২.০৭ বর্গ কি.মি বা ১৩৩২.০০ বর্গমাইল



সিলেট জেলার জনসংখ্যা

সিলেট বিভাগের মোট জনসংখ্যা প্রায়

৩৫,৬৭,১৩৮ জন (২০১১)


(পুরুষ ১৭,৯৩,৮৫৮ জন এবং মহিলা ১৭,৭৩,২৮০ জন)




সিলেট জেলাতে যেযে উপজাতি বসবাস করে 


মোট ১৭,৩৬৩ জন (আদম শুমারী ২০০১)

(প্রধানত মণিপুরি, পাত্র, খাসিয়া, চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল)





সিলেট  সংসদীয় আসন

সিলেট জেলাতে সংসদীয় আসন ০৬ টি


সংরক্ষিত আসন

:

০১ টি


সিলেট জেলার শিক্ষার হার


সিলেট জেলার শিক্ষার হার বর্তমানে ৫১.২ %



সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ 


সিলেট বিভাগের মোট জেলা চারটি ।

নিজে চাঁরটি জেলার নাম দেওয়া হলো :


1) সিলেট জেলা 

2) সুনামগঞ্জ জেলা 

3) হবিগঞ্জ জেলা

4) মৌলভীবাজার জেলা 



সিলেট জেলার উপজেলা 


সিলেট জেলায় উপজেলা মোট ১৩ টি ।

নিছে এগুলোর উপজেলার তালিকা দেওয়া হলো :


01) সিলেট


02) বিয়ানীবাজার


03) বিশ্বনাথ


04) কোম্পানীগঞ্জ


05) ফেঞ্চুগঞ্জ


06) গোলাপগঞ্জ


07) গোয়াইনঘাট


08) জৈন্তাপুর


09) জকিগঞ্জ


10) বালাগঞ্জ


11) দক্ষিণ সুরমা


12) কানাইঘাট


13) ওসমানীনগর



সিলেট বিভাগের দর্শণীয় স্থানসমূহ


সিলেটের দর্শনীয় স্থান   


1) হযরত শাহজালাল (রঃ) এবং হযরত শাহপরাণ (রঃ) এর মাজার, সিলেট।

2) জাফলং , শ্রীপুর

3) তামাবিল,

4) ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী,

5) লাক্কাতুরা চা বাগান, 

6) বিছনাকান্দি, 

7) খাসিয়াপুঞ্জি,

8) জৈন্তার রাজবাড়ী, জৈন্তাপুর, সিলেট।

9) শ্রী চৈতন্যের জন্মস্থান, গোলাপগঞ্জ, সিলেট।

10) রাতারগুল, গোয়াইনঘাট, সিলেট।

11) আলি আমজাদের ঘড়ি


 

সিলেটের প্রধান নদী 

সিলেটের প্রধান নদী সমূহের মধ্যে সুরমা নদী সবথেকে দীর্ঘতম  । সুরমা (৩৫০ কি.মি.), অপর বৃহৎ নদী হলো কুশিয়ারা, এছাড়াও রয়েছে সারি, পিয়াইন নদী ইত্যাদি ।



ট্যাগ সমূহ :

সিলেট জেলার ইতিহাস,  সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান , সিলেটের দর্শনীয় স্থান,  সিলেট পর্যটন কেন্দ্র , শাহজালাল মাজার , শাহপরান মাজার , ঢাকা থেকে সিলেট, সিলেটের জাফলং,  Sylhet division, Sylhet tour, Sylhet district , সিলেট শহর ,


এনআইডি কার্ড কি - জাতীয় পরিচয়পত্র কি কি কাজে লাগে - national id card

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড (NID)   

Nid card ki - এনআইডি কার্ড কি - ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি কাগজ পত্র লাগে
National Id card ki

         

ভোটার আইডি কার্ড কি 

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নাগরিকদের যে পরিচয় সনদ প্রদান করা হয় তাকে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড কিংবা সংক্ষেপে এনআইডি (NID) বলা হয়। 

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকদের জন্য এটি অত্যান্ত গরুত্বপূর্ণ একটি সনদ। সরকারী বেসরকারী যে কোন দাপ্তরিক কাজে এটি প্রয়োজন হয়। বর্তমানে জতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হয়।


এনআইডি কার্ড করতে কি কি লাগে 

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে


নতুন ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন অফিসে যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হয় তা নিচে দেওয়া হলো-


● জর্ম্ম সনদের ফটোকপি

● পিতা মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি

● চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র

● শিক্ষিত হলে এসএসসি সনদসহ শিক্ষাগত সনদের সত্যায়িত ফটোকপি

● রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হলে তার ফটোকপি

● বিদ্যুৎ বিল (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

● জমির কাগজ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

Nid card ki - ভোটার আইডি কার্ড কি কি কাজে লাগে
ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে করবেন 

আরো পড়ুন > মানসিক চাপ কি - মানসিক চাপ মুক্ত থাকার উপায়

এনআইডি বা স্মার্ট এনআইডি কার্ড হোল্ডাররা যে সকল সুযোগ-সুবিধা পাবেন বা সকল কাজে আইডি কার্ড লাগে -

এনআইডি কার্ড যে যে কাজে লাগবে 

নাগরিক অধিকার ও সুবিধা সমূহ,

01) জাতীয় পরিচয় ,

02) ড্রাইভিং লাইসেন্স ,

03) মটর যান রেজিস্ট্রেশন ,

04) পাসপোর্ট ,

05) জমি ক্রয় ও বিক্রয় ,

06) ব্যাংক হিসাব খুলতে ,

07) ব্যাংক ঋণ নিতে ,

08) টিন নাম্বার , 

 09)মোবাইল সিম পেতে ,

10)সরকারি অনুদান ও ভাতা পেতে ,

11)চাকরির আবেদন করতে

আরো পড়ুন > জন্ম নিবন্ধন কি - কিভাবে করবো 

এয়ারটেল সিমের প্রয়োজনীয় কোড সমূহ 

প্রেম কি - প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র - prem

প্রেম কি 

প্রেম হল ভালোবাসার সাথে সম্পর্কিত একটি উত্তেজনাপূর্ণ, যৌনতাপূর্ণ এবং রহস্যময় অনুভূতি। এটি হল কোন ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণের সাথে সম্পর্কিত কোন আবেগীয় আকর্ষণ হতে উদ্বুদ্ধ একটি বহিঃপ্রকাশমূলক ও আনন্দঘন অনুভূতি। 

 

প্রেম কি - প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র
প্রেম কি - প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র


মনোবিজ্ঞানী চার্লস লিন্ডহোমের সংজ্ঞানুযায়ী প্রেম হল "একটি প্রবল আকর্ষণ যা কোন যৌন-আবেদনময় দৃষ্টিকোণ হতে কাউকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরে, এবং যাতে তা ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার মনোবাসনাও অন্তর্ভুক্ত থাকে।



বাংলাএর অভিধানে প্রেম এর সংজ্ঞা


প্রেম  অর্থ 1.প্রণয়, অনুরাগ ('প্রেমের জোয়ারে ভাসাবে দোঁহারে': রবীন্দ্র); 2 প্রীতি, স্নেহ ('যদি প্রেম দিলে না প্রাণে': রবীন্দ্র); 3 ভক্তি (ভগবত্প্রেম, দেশপ্রেম)। [সং. প্রিয় + ইমন্]। ̃ পত্র বি. প্রণয়ী বা প্রণয়িনীর চিঠি। ̃ পাত্র বি. ভালোবাসার জন বা ভালোবাসার পাত্র। ̃ বান বিণ. প্রেমময়। স্ত্রী. ̃ বতী। প্রেমানন্দ বি. 1 পাঁচ প্রকার আনন্দের অন্যতম; 2 ভালোবাসা-জনিত আনন্দ। প্রেমাবতার বি. জীবে প্রেমের অবতার চৈতন্যদেব। প্রেমিক বিণ. বি. যে ভালোবাসে, অনুরাগী; প্রণয়ী; ভক্ত (দেশপ্রেমিক)। স্ত্রী. প্রেমিকা। প্রেমী (-মিন্) বিণ. প্রেমযুক্ত, অনুরক্ত।



প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র 


লুকোচুরিই তো প্রেমের আসল মজা । যেদিন থেকে প্রেম স্বীকৃতি পেয়ে যায় সেদিন থেকেই প্রেমের মজা চলে যায় ।”

—– আশুতোষ মুখোপাধ্যায়


বুঝে শুনে প্রেমে পড়তে হয়, কারণ একবার প্রেমে পড়ে গেলে এর থেকে উঠা প্রায় অসম্ভব” ।

— পদ্ম পাতা


“দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম ।”

– হুমায়ূন আজাদ


প্রেম একটি চমৎকার অসুখ। কষ্ট পাওয়ার, তিলে তিলে, ধুকে ধুকে মরার জন্য এমন অসুখ খুব বেশী নেই।”

– তপংকর চক্রবর্তী।


“প্রেম মানুষকে শান্তি দেয়, কিন্তু স্বস্তি দেয় না।”

– বায়রন।


“প্রেমে পড়লে বোকা বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে, বুদ্ধিমান বোকা হয়ে যায়।”

– স্পুট হাসসুন


““প্রেম কোন জ্ঞান বা বিজ্ঞান নয়, বই বা কাগজও নয়। অন্যরা যা বলে তা কখনোই প্রেমের পথ হতে পারে না।”

– জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি

এই ছিল আজকের আর্টিকেল আশা করি ভালো লেগেছে , সবাইকে ধন্যবাদ ।


আরো পড়ুন : ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপায়

দোয়া কেন কবুল হয়না - দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত

 আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা ।

আমরা অনেকেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর কাছে অনেক কিছুর দোয়া করি কিন্তু তা কিছু কবুল হয় কিছু কবুল হয় না । আজকের আর্টিকেলে আমরা ৯টি  দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত জানবো  । যেগুলো মেনে দোয়া করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন । তে চলুন জেনে নেই দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত গুলো :


দোয়া কেন কবুল হয়না 

দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত
দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত 


দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত সমূহ 


আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কাউকে না ডাকা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলেন: “যখন প্রার্থনা করবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করবে এবং যখন সাহায্য চাইবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য চাইবে।”[সুনানে তিরমিযি (২৫১৬), আলবানী ‘সহিহুল জামে’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] এটাই হচ্ছে আল্লাহ্‌র বাণীর মর্মার্থ “وَّ اَنَّ الۡمَسٰجِدَ لِلّٰہِ فَلَا تَدۡعُوۡا مَعَ اللّٰہِ اَحَدًا এবং এই যে মাসজিদসমূহ, আল্লাহরই জন্য। সুতরাং আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কেহকেও ডেকনা। And the mosques are for Allah (Alone), so invoke not anyone along with Allah.”[সূরা জিন্‌, আয়াত: ১৮] দোয়ার শর্তগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এ শর্ত পূরণ না হলে কোন দোয়া কবুল হবে না, কোন আমল গৃহীত হবে না। অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মৃতব্যক্তিদেরকে মাধ্যম বানিয়ে তাদেরকে ডাকে। তাদের ধারণা যেহেতু তারা পাপী ও গুনাহগার, আল্লাহ্‌র কাছে তাদের কোন মর্যাদা নেই; তাই এসব নেককার লোকেরা তাদেরকে আল্লাহ্‌র নৈকট্য হাছিল করিয়ে দিবে এবং তাদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মধ্যস্থতা করবে। এ বিশ্বাসের কারণে তারা এদের মধ্যস্থতা ধরে এবং আল্লাহ্‌র পরিবর্তে এ মৃতব্যক্তিদেরকে ডাকে। অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন: “আর আমার বান্দারা যখন আপনাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে (তখন আপনি বলে দিন) নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী। দোয়াকারী যখন আমাকে ডাকে তখন আমি ডাকে সাড়া দিই।”[সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৬] 



শরিয়ত অনুমোদিত পন্থায় দোয়া করা 


২. শরিয়ত অনুমোদিত কোন একটি মাধ্যম দিয়ে আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে ওসিলা দেয়া। 



দোয়ার মধ্যে তাড়াহুড়ো না করা 


৩. দোয়ার ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করা। তাড়াহুড়া করা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে বড় বাধা। হাদিসে এসেছে, “তোমাদের কারো দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তাড়াহুড়া করে বলে যে: ‘আমি দোয়া করেছি; কিন্তু, আমার দোয়া কবুল হয়নি”[সহিহ বুখারী (৬৩৪০) ও সহিহ মুসলিম (২৭৩৫)] সহিহ মুসলিমে (২৭৩৬) আরও এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে। বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করে। জিজ্ঞেস করা হল: ইয়া রাসূলুল্লাহ! তাড়াহুড়া বলতে কী বুঝাচ্ছেন? তিনি বললেন: বলে যে, আমি দোয়া করেছি, আমি দোয়া করেছি; কিন্তু আমার দোয়া কবুল হতে দেখিনি। তখন সে ব্যক্তি উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং দোয়া ছেড়ে দেয়।” 



দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা 


৪. দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া না হওয়া; যেমনটি ইতিপূর্বে উল্লেখিত হাদিসে এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে।” 



আল্লাহর প্রতি ভাল ধারনা রাখা 


৫. আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা নিয়ে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা করে আমি তেমন।”[সহিহ বুখারী (৭৪০৫) ও সহিহ মুসলিম (৪৬৭৫)] আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে, “তোমরা দোয়া কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস (একীন) নিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া কর।”[সুনানে তিরমিযি, আলাবানী সহিহুল জামে গ্রন্থে (২৪৫) হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন] তাই যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা পোষণ করে আল্লাহ্‌ তার উপর প্রভুত কল্যাণ ঢেলে দেন, তাকে উত্তম অনুগ্রহে ভূষিত করেন, উত্তম অনুকম্পা ও দান তার উপর ছড়িয়ে দেন। 

অন্য পোষ্ট : জুমুআর নামাজের বিশেষ আমল 

মাহে রমজান কত তারিখে 2023

দোয়াতে মনোযোগী হওয়া 


৬. দোয়াতে মনোযোগ থাকা। দোয়াকালে দোয়াকারীর মনোযোগ থাকবে এবং যাঁর কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে তাঁর মহত্ত্ব ও বড়ত্ব অন্তরে জাগ্রত রাখবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা জেনে রাখ, আল্লাহ্‌ কোন উদাসীন অন্তরের দোয়া কবুল করেন না।”[সুনানে তিরমিযি (৩৪৭৯), সহিহুল জামে (২৪৫) গ্রন্থে শাইখ আলবানী হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন] 



খাদ্য হালাল হওয়া 


৭. খাদ্য পবিত্র (হালাল) হওয়া। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “আল্লাহ্‌ তো কেবল মুত্তাকীদের থেকেই কবুল করেন”[সূরা মায়েদা, আয়াত: ২৭] এ কারণে যে ব্যক্তির পানাহার ও পরিধেয় হারাম সে ব্যক্তির দোয়া কবুল হওয়াকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদূরপরাহত বিবেচনা করেছেন। হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি দীর্ঘ সফর করেছেন, মাথার চুল উস্কুখুস্ক হয়ে আছে; তিনি আসমানের দিকে হাত তুলে বলেন: ইয়া রব্ব, ইয়া রব্ব! কিন্তু, তার খাবার-খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পরিধেয় হারাম, সে হারাম খেয়ে পরিপুষ্ট হয়েছে তাহলে এমন ব্যক্তির দোয়া কিভাবে কবুল হবে?[সহিহ মুসলিম, (১০১৫)] ইবনুল কাইয়্যেম (রহঃ) বলেন, হারাম ভক্ষণ করা দোয়ার শক্তিকে নষ্ট করে দেয় ও দুর্বল করে দেয়। 


দোয়াতে শিমালঙ্ঘন না করা 


৮. দোয়ার ক্ষেত্রে কোন সীমালঙ্ঘন না করা। কেননা আল্লাহ্‌ তাআলা দোয়ার মধ্যে সীমালঙ্ঘন করাটা অপছন্দ করেন। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “তোমরা বিনীতভাবে ও গোপনে তোমাদের রবকে ডাক; নিশ্চয় তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।” [সূরা আরাফ, আয়াত: ৫৫] আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন 41017 নং প্রশ্নোত্তর। 



ফরজ আমল গুলো যথাযথ ভাবে পালন করা 


৯. ফরয আমল বাদ দিয়ে দোয়াতে মশগুল না হওয়া। যেমন, ফরয নামাযের ওয়াক্তে ফরয নামায বাদ দিয়ে দোয়া করা কিংবা দোয়া করতে গিয়ে মাতাপিতার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা। খুব সম্ভব বিশিষ্ট ইবাদতগুজার জুরাইজ (রহঃ) এর কাহিনী থেকে এ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ জুরাইজ (রহঃ) তার মায়ের ডাকে সাড়া না দিয়ে ইবাদতে মশগুল থেকেছেন। ফলে মা তাকে বদদোয়া করেন; এতে করে জুরাইজ (রহঃ) আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, আলেমগণ বলেছেন: এতে প্রমাণ রয়েছে যে, জুরাইজের জন্য সঠিক ছিল মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া। কেননা তিনি নফল নামায আদায় করছিলেন। নফল নামায চালিয়ে যাওয়াটা হচ্ছে- নফল কাজ; ফরয নয়। আর মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব এবং মায়ের অবাধ্য হওয়া হারাম....”[শারহু সহিহু মুসলিম (১৬/৮২)]


আরো পড়ুন : জুময়ার নামাজ ও জুময়ার নামাজের নিয়ত 

এইছিল দোয়ার কিছু পূর্বশর্ত । পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ।

ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপায় -love

 

প্রিয় মানুষটির সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপায়

ভালোবাসার মানুষের ভালোবাসা ও ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার জন্য প্রথমদিকে থাকে বেশ আবেগ, উৎসাহ আর আগ্রহ। ধীরে ধীরে তা ম্লান হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। আসলে ভালোবাসা গাছের মতো, যত যত্ন করা যাবে ততই বাড়বে। ভালোবাসার স্পর্শে ডালপালা ফলে-ফুলে ভরে যায়, আর অযত্নে যায় শুকিয়ে। তাই দেখা যায় অনেকের প্রেম ভালবাসা টিকে না । আর 

ভালোবাসার সম্পর্ককে কীভাবে মধুর, আনন্দময় করা যায়। সে বিষয়ে কিছু টিপস।


  

প্রিয় মানুষটিকে কাছে পাওয়ার উপায়
ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপায়

ভালোবাসার সম্পর্ককে কীভাবে মধুর, আনন্দময় করা যায় তার কিছু টিপস

যোগাযোগ করুন 

রাগ, অভিমান আবারও প্রিয় মানুষের সাথে যোগাযোগ করুন। আরও বেশি কথা বলবেন, দেখবেন সম্পর্কটা বেশি সহজ হচ্ছে। এটি অতীতের ভুলগুলো শুধরে সাহায্য করবে। আপনি আপনার রাগগুলিকে প্রকাশ করতে পারবেন কিন্তু ধরবেন না। তার সম্পর্কে এমন কিছু বলবেন না যাতে সে কষ্ট পায়। 


 

ভালোবাসার মানুষকে কাছে  পাওয়ার উপায়

 

আপনার প্রিয় মানুষটিকে সময় দিন 


নতুন করে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে দরকার একটু বেশি মনোযোগী হওয়া। আপনার সকল মনোযোগ প্রিয় মানুষটির দিকে করে তাকে একটু সময় দিন। দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। এজন্য আপনি কাজের ফাঁকে তাকে এক আধটা এস এম এস কিংবা কল করতে পারেন। আবার হঠাৎ অফিস থেকে ফিরে সিনেমায়ও চলে যেতে পারেন। নতুবা কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন। তাহলে সম্পর্কটা সহজেই ভালো হয়ে যাবে।


 


ডেটিং এ নিয়ে যান


সময় করে মাঝে মাঝেই  প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে ডেটিংয়ে যান। একবার যদি বুঝতে পারেন এর ওর পেছনে ছোটার থেকে দু’জনে একসঙ্গে থাকাটাই নিরাপদ। তাহলে দেখবেন, ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হচ্ছে। এক্ষেত্রে শহরের অচেনা জায়গায় বা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন দু’জনে। আবার কখনও যেতে পারেন ডিনারে। আপনার প্রিয় মানুষটির সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে এগুলো সাহায্য করবে।


 


আগের মানুষটি হয়ে যান


প্রাক্তন প্রেমিক/ প্রেমিকার সাথে সেই আগের মানুষটি হয়ে কথা বলুন। আপনাদের মধ্যেকার জটিলতাগুলোর প্রসঙ্গে কথা উঠলে পুরো বিষয়টি এড়িয়ে যান। আপনার প্রাক্তন প্রেমিক/ প্রেমিকাকেও জটিলতাগুলো এড়িয়ে স্বাভাবিক কথা বার্তা বলতে বলুন। এভাবে ধীরে ধীরে সেই আগের মানুষটি হয়ে উঠুন যার প্রেমে পড়েছিলো আপনার মনের মানুষটি। তবে ভুলেও প্রেম বিষয়ক কথা বলবেন না। 

আলোচনা করুন 


যখন আপনি সহজ করতে শুরু করবেন যে আপনি আপনার কাছের দূরত্ব বর্ণনা করবেন এবং আপনার প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকা আপনার সাথে আবার আচরণ করছে, তখন সাহস করে বলে আপনি চেষ্টা করুন। সেই সঙ্গে ভুল বোঝার জন্য অনুরোধ করতে চেয়েছিলেন এবং মনের কাছ থেকে ভুলগুলো বলুন আর কখনো এমন করবেন না।


নিজের উপর আস্থা রাখুন 

 

নিজের উপর আস্থা কোনো কাজ করতে হবে না। মানুষের সবচেয়ে বড় হার নিজের কাছে পেতে। আত্মবিশ্বাসই আপনাকে সত্যিকারের মানুষের কাছে যাবে। আপনাকে আর বিশ্বাস রাখতে হবে, আপনি সুখী হবেন।



 আপনি ধৈর্য ধরুন 


অনেক বেশি কথা না বলে প্রিয় মানুষটির কথা বলার জন্য তাকে যদি অনেক বেশি গুরুত্ব দেন তাহলে সম্পর্কটা ভালো হতে পারে। দু'জন দু' গুরুত্বপূর্ণ


 


ভালোবাসায় মধুরতার জন্য সহজ উপায় গুলো কাজে লাগান। দেখবেন সফল আপনি হবেন। আপনার মনের মানুষের মনে যায়গা পাবেন । 


আরো পড়ুন : প্রেম কি - প্রেমের স্পেশাল চন্দ্র 

জন্ম নিবন্ধন কি । জন্ম নিবন্ধন কি কি কাজে লাগে । জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কিভাবে করবো । Birth Certificate

 

আসসালামু আলাইকুম
সুপ্রিয় বন্ধুরা সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই নতুন একটি আর্টিকেলে ।
আজকের আর্টিকেলটি হচ্ছে জন্মনিবন্ধন বিষয়ে । সবার প্রতি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইলো ।

জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন কি


আজকের আর্টিকেল শিরোনাম :

১> জন্ম নিবন্ধন কি ?
২> জন্ম নিবন্ধন কেন করতে হয় ?
৩> জন্ম নিবন্ধন করা কেন জরুরি ?
৪> জন্ম নিবন্ধন কি কি কাজে লাগে ?
৫> জন্ম নিবন্ধন না করলে যেসব
      সমস্যায় পড়তে পারেন
৬> জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি কাগজ
      পত্র লাগে
৭> জন্ম নিবন্ধন করতে কত টাকা লাগে
৮> অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া
৯> জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ 

এইছিল আজকের আর্টিকেল শিরোনাম এবার নিচে বিস্তারিত :

জন্ম নিবন্ধন কি

জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ দেশের অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপের জন্য একটি অপরিহার্য নথি জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্মসূত্রে একজন ব্যক্তির নাগরিকত্বের পরিচয় ধারণ করে এই জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রটি। তাই শিশু জন্মের পর পরই অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশাপাশি বাবা-মায়ের উচিত সরকারি খাতায় শিশুর নামটি লিপিবদ্ধ করানো।

জন্ম নিবন্ধন কেন করতে হয়

জন্ম নিবন্ধন করা কেন জরুরি?

■ জন্ম সনদ হলো একজন মানুষের জন্ম, বয়স, পরিচয় ও নাগরিকত্বের প্রমাণ। রাষ্ট্রের স্বীকৃত নাগরিকের মর্যাদা ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে হলে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।

জন্ম নিবন্ধন কি কি কাজে লাগে :

>> পাসপোর্ট ইস্যু
>> বিবাহ নিবন্ধন
>> শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি
>> সরকারি-বেসরকারি বা স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় নিয়োগদান
>> ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু
>> ভোটার তালিকা প্রণয়ন
>> জমি রেজিষ্ট্রেশন
>> ব্যাংক হিসাব খোলা
>> আমদানি ও রপ্তানী লাইসেন্স প্রাপ্তি
>> গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি
>> ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) প্রাপ্তি
>> ঠিকাদারী লাইসেন্স প্রাপ্তি
>> বাড়ির নকশা অনুমোদন প্রাপ্তি
>> গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন
>> ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি
>> বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ
>> শিশু শ্রম প্রতিরোধ ও
>> জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি।

জন্ম নিবন্ধন না করলে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন-

>> ভোটার আবেদন ফরমের সঙ্গেও বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা দিতে হয়। জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকলে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করা যায় না।

>> স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতেও বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন প্রদর্শন করতে হয়। অনেকেরই জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকার ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না।

>> শিশুরা যদি কখনো কিশোর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে বা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়, সেক্ষেত্রে বিচার শুরুর আগেই তার বয়স প্রমাণের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

>> পড়াশোনা, জীবিকা, ব্যবসা, ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কারণে বিদেশে যেতে প্রয়োজন হয় পাসপোর্টের। আর পাসপোর্টের আবেদন ফরমের সঙ্গে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন জমা দিতে হয়।

>> সরকারি চাকরি বা স্বায়ত্তশাসিত চাকরির ক্ষেত্রেও বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করতে হয়।

>> বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন হয়। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিয়ের সময় বয়স প্রমাণের জন্য এটি ভূমিকা পালন করে।

>> এমনকি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের পর রেজিষ্ট্রেশনের সময় জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন হয়। এই সনদ না থাকলে এক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হতে ।

>> সরকারি বা বেসরকারি সব ধরনের সেবা ও সম্পদের বরাদ্দ পেতে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন করতে হবে।

>> অনেকেই ১৮ বছরের পরপরই ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। তখন আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয় নয় বরং জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন পড়ে।

জন্ম নিবন্ধন আইনের বিধান অনুযায়ী এই বিধি লংঘনকারী নিবন্ধক বা ব্যক্তি অনধিক ৫০০ টাকা অথবা অনধিক ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি কাগজ পত্র লাগে

জন্ম নিবন্ধন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

জন্ম নিবন্ধনের জন্য প্রথমেই কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে। এর জন্য বিভিন্ন বয়সের লোকদের জন্য কাগজপত্রেও ভিন্নতা রয়েছে।

শিশুদের জন্ম নিবন্ধকরণে জন্মের পর প্রথম ৪৫ দিনের মধ্যে যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন তা হলো-

১। অনলাইনে আবেদনকৃত ফর্মের প্রিন্ট কপি।

২। শিশুর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

৩। শিশুর ইপিআই (এক্সপান্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন) টিকা কার্ড কিংবা ইপিআই কর্মীর নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র

৪। শিশুর জন্মস্থান ও জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র হিসেবে হাসপাতাল বা ক্লিনিক থেকে শিশুর জন্ম সনদের সত্যায়িত অনুলিপি বা বার্থ এটেনডেন্ট-এর প্রত্যয়ন পত্র বা শিশুর জন্ম সংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ পত্র।

৫। বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই বাবা-মার অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম সনদ।

৬। বাবা-মার জাতীয় পরিচয়পত্র।

৭। শিশুর যে কোন একজন অভিভাবকের কর পরিশোধের প্রমাণ।

 

৪৬ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৪ নং বাদে বাকি সব কাগজপত্রই লাগবে।

৫ বছরের বেশি শিশু অথবা যে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে-

 

১। অনলাইনে আবেদনকৃত ফর্মের প্রিন্ট কপি।
২। শিশুর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৩। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী চিকিৎসক-এর নিকট থেকে প্রত্যয়ন পত্র।
৪। পিএসসি(প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী), জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) বা এসএসসি (মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট)।
৫। বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই বাবা-মায়ের অনলাইনে নিবন্ধিত জন্ম সনদ।
৬। বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র।
৭। জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের সাপেক্ষে বাবা/মা/দাদা/দাদির স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখিত জায়গার বিপরীতে নবায়নকৃত কর প্রদানের প্রমাণপত্র

অথবা, নদীভাঙন/কোনো কারণে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে জমি/বাড়ি ক্রয়ের দলিল, খাজনা ও কর প্রদানের রশিদ।

অথবা, বসবাসের স্থান প্রমাণের সাপেক্ষে পৌরসভার চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র।

আরো পড়ুন > এনআইডি কার্ড কি - Nid card কি কাজে লাগবে 

জন্ম নিবন্ধন করতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ক্ষেত্রে :

● নবজাতক শিশু জন্মের ৪৫ দিন পর্যন্ত
বিনামূল্যে ।
● নবজাতক শিশু জন্মের ৪৫ দিন পর
থেকে -৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকা ।
● শিশু জন্মের ৫ বছর পর থেকে -৫০ টাকা ।

বিদেশে জন্ম নিবন্ধন করতে কত টাকা লাগে :
● নবজাতক শিশু জন্মের ৪৫ দিন পর্যন্ত
বিনামূল্যে ।
● নবজাতক শিশু জন্মের ৪৫ দিন পর
থেকে -৫ বছর পর্যন্ত ১ মার্কিন ডলার ।
● শিশু জন্মের ৫ বছর পর থেকে -১ মার্কিন ডলার ।

জন্ম নিবন্ধন কিভাবে করতে হয় :

Online Registration for Birth Certificate

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া (Online Registration for Birth Certificate): অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন

(http://bris.lgd.gov.bd/pub/?pg=application_form)। বিভিন্ন ধাপে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। প্রথমে নিবন্ধনকারীর জন্ম স্থান বা স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা, প্রভৃতি ধাপ পার হয়ে ওয়ার্ড পর্যন্ত নির্বাচন করতে হয়। অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম প্রথমে বাংলায় ও পরবর্তীতে ইংরেজিতে পূরণের পর প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন পত্রটি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে স্থানান্তিরত হয়ে যায়, আবেদনকারীর আর কোনো সংশোধনের সুযোগ থাকে না। অতঃপর পরবর্তী ধাপে প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করলে আবেদন পত্রের মুদ্রিত কপি পাবেন। সনদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত আবেদনপত্রে নির্দেশিত প্রত্যয়ন সংগ্রহ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপিসহ নিবন্ধক অফিসে যোগাযোগ করুন।

জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ 

How to get Birth Certificate : 

জন্ম নিবন্ধন আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় সনদ প্রদানের সম্ভাব্য একটি তারিখ একটি কুপনে লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কুপন প্রদান করে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করতে হয়। জন্ম নিবন্ধন সনদ একটি শক্ত কাগজ (আর্ট পেপার) যেটার উপরে আপনার নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, পিতা-মাতার নাম সহ যাবতীয় তথ্য ছাপানো আছে।  নিচে  সংশ্লিষ্ট অফিসারদের স্বাক্ষর থাকে।

প্রশ্নাবলি:

একজন ব্যাক্তি কি একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করতে পারবে ?

¤ একই ব্যাক্তি একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করতে পারবে না । কারন একই ব্যাক্তির একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করা দন্ডনীয় অপরাধ ।( দেখুন: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪)

2) জন্ম নিবন্ধনে ভুল হলে সংশোধন করা যায় কি না ?

¤ অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন এ ভুল হলে পরবর্তীতে সেটা সংশোধন করা যাবে ।

আরো পড়ুন : অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন এর বিস্তারিত

আরো পড়ুন : জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধন কিভাবে করবো

সব দেশের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার, পৃথিবীর সকল দেশের মোবাইল নাম্বার কোড , all world mobile phone code number


আসসালামুয়ালাইকুম স্বাগত জানাচ্ছি আজকের একটি নতুন আর্টিকেলে ।

আজকের লেখার বিষয় হচ্ছে : 

পৃথিবীর সকল দেশের মোবাইল কোড নাম্বার 

আমরা জানি যে পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে যে তাদের বিভিন্ন প্রয়োজন পরে বিভিন্ন দেশের মোবাইল ফোনের কোড গুলো । জানতে চান যে কোন দেশের মোবাইল কোড নাম্বার কত । আর তা জানার জন্য গুগলের মতো বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন -বিভিন্ন দেশের মোবাইল কোড-  মূলত তাদের কথা চিন্তা করি আজকের এই আর্টিকেলটি আর্টিকেলটি পড়লে পৃথিবীর সকল মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার সম্পর্কে আপনারা জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ । তাই চলুন দেখে নেই বিভিন্ন দেশের মোবাইল কোড নাম্বার গুলো :
সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার
সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার 


সব দেশের মোবাইল ফোনের কোড তালিকা: 


ইতালী (+39)

ইথিওপিয়া (+251)

ইন্দোনেশিয়া (+62)

ইয়েমেন (+967)

ইরাক (+964)

ইরান (+98)

ইরিত্রিয়া (+291)

ইসরায়েল (+972)

উজবেকিস্তান (+998)

উত্তর কোরিয়া (+850)
উরুগুয়ে (+598)

এল সালভাদোর (+503)

এস্তোনিয়া (+372)

ওমান (+968)

ওয়ালিস এবং ফুটুনা (+681)

কঙ্গো রিপাবলিক (+242)

কমোরস (+269)

কম্বোডিয়া (+855)

কসোভো (+381)

কাজাখস্তান (+7)

কলম্বিয়া (+57)

উগান্ডা (+256)

কাতার (+974)

কানাডা (+1)

কিউবা (+53)

কিরগিজস্তান (+996)

কিরিবাতি (+686)

কুক দ্বীপপুঞ্জ (+682)


অস্ট্রিয়া (+43)

অস্ট্রেলিয়া (+61)

অ্যাঙ্গোলা (+244)

অ্যান্টিগুয়া (+1)

অ্যাঙ্গুইলা (+1)

আইভরী কোস্ট (+225)

আইল অভ ম্যান (+44)

আইসল্যান্ড (+354)

অ্যান্ডোরা (+376)

আজারবাইজান (+994)

আফগানিস্তান (+93)

আমেরিকান সামোয়া (+1)

আয়ারল্যান্ড (+353)

আরমেনিয়া (+374)


আরুবা (+297)

আর্জেন্টিনা (+54)

আলজেরিয়া (+213)

আলবেনিয়া (+355)

ইউক্রেন (+380)

ইকুয়েডর (+593)


কুয়েত (+965)

কুরাসাও (+599)

কেইম্যান আইল্যান্ড (+1)

কেনিয়া (+254)

কেপ ভার্দে (+238)

কোস্টা রিকা (+506)

ক্যামেরুন (+237)

ক্রোয়েশিয়া (+385)

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো (+243)

গাম্বিয়া (+220)

গায়ানা (+592)

গিনি (+224)

গিনি-বিসাউ (+245)

গুয়াডেলোপ (+590)

গুয়াতেমালা (+502)
গুয়াম (+1)

গ্রাঞ্জি (+44)

গ্রানাডা (+1)

গ্যাবন (+241)

গ্রিস (+30)

গ্রীনল্যান্ড (+299)

ঘানা (+233)

চাদ (+235)

চিলি (+56)

চীন (+86)

চেক প্রজাতন্ত্র (+420)

জর্জিয়া (+995)

জর্ডান (+962)

জাপান (+81)

জাম্বিয়া (+260)

জিবুতি (+253)

জিব্রাল্টার (+350)

জার্মানি (+49)

জার্সি (+44)

জিম্বাবুয়ে (+263)

জ্যামাইকা (+1)

টার্ক্স এন্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জ (+1)

টুভালু (+688)

টোংগা (+676)

টোগো (+228)

ডেনমার্ক (+45)

ডোমিনিকা (+1)

ডোমিনিকান রিপাবলিক (+1)

তাইওয়ান (+886)

তিউনিসিয়া (+216)

তাজিকিস্তান (+992)

তানজানিয়া (+255)

তুরস্ক (+90)

তুর্কমেনিস্তান (+993)

তোকেলাও (+690)

ত্রিনিদাদ ও টোবাগো (+1)

থাইল্যান্ড (+66)

দক্ষিণ আফ্রিকা (+27)

দক্ষিণ সুদান (+211)

দক্ষিণ কোরিয়া (+82)

নরওয়ে (+47)

নরফোক দ্বীপ (+672)

নর্থান মেরিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ (+1)

নাইজেরিয়া (+234)

নাউরু (+674)

নাইজার (+227)

নামিবিয়া (+264)

নিউ ক্যালেডোনিয়া (+687 )

নিরক্ষীয় গিনি (+240)

নিউজিল্যান্ড (+64)

পর্তুগাল (+351)

নিউই (+683)

নিকারাগুয়া (+505)

নেদারল্যান্ড (+31)

নেপাল (+977)

পশ্চিম সাহারা (+212)

পাকিস্তান (+92)

পাপুয়া নিউগিনি (+675)

পালাউ (+680)

পানামা (+507)

পুনর্মিলনী (+262)

পুয়ের্তো রিকো (+1)

পূর্ব তিমুর (+670)

পেরু (+51)

পোল্যান্ড (+48)

প্যারাগুয়ে (+595)

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (+500)

ফারো দ্বীপপুঞ্জ (+298)

ফিজি (+679)

ফিনল্যান্ড (+358)

ফরাসি গায়ানা (+594)

ফরাসি পলিনেশিয়া (+689)

ফিলিপাইন (+63)

ফিলিস্তিন (+970)

ফ্রান্স (+33)

বতসোয়ানা (+267)

বলিভিয়া (+591)

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (+387)

বাংলাদেশ (+880)

বারবাডোস (+1)

বারমুডা (+1)

বাহরাইন (+973)

বাহামা (+1)

বুরুন্ডি (+257)

বুর্কিনা ফাসো (+226)

বুলগেরিয়া (+359)

বেলজিয়াম (+32)

বেলারুশ (+375)

বেনিন (+229)

বেলিজ (+501)

বোনায়ের, সিন্ট ইউস্টাসিয়াস ও

সাবা (+599)

ব্রাজিল (+55)

ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (+1)

ব্রিটিশ-ভারতীয় সমুদ্র এলাকা (+246)

ব্রুনাই (+673)

মায়ানমার (+95)

মায়োটি (+262)


ভানুয়াতু (+678)

ভারত (+91)

ভিয়েতনাম (+84)

ভূটান (+975)

ভেনিজ়ুয়েলা (+58)

ভ্যাটিকান সিটি (+39)

মঙ্গোলিয়া (+976)

মন্টসেরাত (+1)

মন্টেনিগ্রো (+382)

মরক্কো (+212)

মরিশাস (+230)

মলদোভা (+373)

মাইক্রোনেশিয়ার জোটবদ্ধ রাষ্ট্র (+691)

মাদাগাস্কার (+261)

মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (+1)

মার্টিনিক (+596)

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ (+692)

মালাউই (+265)

মালি (+223)

মাল্টা (+356)

মালদ্বীপ (+960)

মালয়েশিয়া (+60)

মিশর (+20)

মেক্সিকো (+52)

মেসিডোনিয়া (+389)

মোজাম্বিক (+258)

মোনাকো (+377)

মৌরিতানিয়া (+222)

ম্যাকাউ (+853)

যুক্তরাজ্য (+44)

যুক্তরাষ্ট্র (+1)

রাশিয়া (+7)

রুয়ান্ডা (+250)

রোমানিয়া (+40)

লাইবেরিয়া (+231)

লাওস (+856)

লাটভিয়া (+371)

লিচেনস্টাইন (+423)

লিথুয়ানিয়া (+370)

লিবিয়া (+218)

লুক্সেমবার্গ (+352)

লেবানন (+961)

লেসোথো (+266)

শ্রীলঙ্কা (+94)

সংযুক্ত আরব আমিরাত (+971)

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ (+677)

সাইপ্রাস (+357)

সাওতোম ও প্রিন্সিপ (+239)

সান ম্যারিনো (+378)

সামওয়া (+685)

সার্বিয়া (+381)

সিয়েরা লিওন (+232)

সিরিয়া (+963)

সিঙ্গাপুর (+65)

সিসিলি (+248)

সুইজারল্যান্ড (+41)

সুইডেন (+46)

সুদান (+249)

সেন্ট কিটস এবং নেভিস (+1)

সেন্ট পিয়ের ও মিকেলন (+508)

সুরিনাম (+597)

সেইন্ট বারথেলেমি (+590)

সেইন্ট মার্টিন (+599)

সেইন্ট হেলেনা (+290)

সেইন্ট মার্টিন (+590)

সেনেগাল (+221)


এই ছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার । আশা করি তা আপনাদের অনেক কাজে আসবে ।

■ এখন অতি সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ন পরিচিত কয়েকটি দেশের মোবাইল কোড নাম্বার দিচ্ছি যেগুলো মানুষ গুগল ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে মানুষ অনেক সার্চ করে । 

ইন্ডিয়া মোবাইল ফোনের নাম্বার কত

ভারতীয় মোবাইল ফোনের কোড 

ইন্ডিয়ান মোবাইল কোড নাম্বার কত আপনি খুব সহজে জেনে নিন ইন্ডিয়ান মোবাইল কোড নাম্বার হলো ক্লাস নাইন ওয়ান +91।

ফ্রান্স এর মোবাইল কোড নাম্বার 


আপনার অনেক পরিচিত অপরিচিত অনেকেই ফ্রান্স প্রবাসী সেখানে বসবাস করছে বা করছেন । কিন্তু আপনি কি জানেন ফ্রান্সের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার কত ? 
আজ জেনে নিন ফ্রান্সের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার হচ্ছে (+33) ।

ইতালির মোবাইল কোড নাম্বার


আমাদের বাংলাদেশের অনেক মানুষ ইতালিতে বর্তমানে বসবাসরত অবস্থায় রয়েছে তো আপনার যদি ইতালির মোবাইল কোড নাম্বার জানার দরকার হয় তাহলে খুব সহজেই আপনি জেনে নিতে পারেন ইতালির মোবাইল কোড নাম্বার হলো +39 ।

কানাডার  মোবাইল কোড নাম্বার


আমাদের বাংলাদেশের অনেক মানুষ কানাডায় বর্তমানে বসবাসরত অবস্থায় রয়েছে তো আপনার যদি কানাডার  মোবাইল কোড নাম্বার জানার দরকার হয় তাহলে খুব সহজেই আপনি জেনে নিতে পারেন কানাডার  মোবাইল কোড নাম্বার হলো (+1)

সৌদি আরবের মোবাইল কোড নাম্বার


সৌদি আরবের মোবাইল কোড নাম্বার হলো +966। আশা করি আপনার উত্তরটা পেয়েছেন ।

পাকিস্তানের মোবাইল কোড নাম্বার 


পাকিস্তানের মোবাইল কোড নাম্বার টি হলো গিয়ে  (+92)

+97 কোন দেশের কোড


+97 কোন দেশের মোবাইল ফোন কোড নয়। এটি মূলত ব্যবহার করা হয়ে থাকে  বিভিন্ন এপস এর ভিতর । এই অ্যাপস থেকে আপনার মোবাইলে মূলত ফোন আসে। আর সেখানেই +97 কোডটি আপনি দেখতে পান। তবে এটি আন্তর্জাতিক বা কোন দেশের মোবাইল কোড নয়।



দুবাই মোবাইল কোড নাম্বার


দুবাইয়ের মোবাইল কোড নাম্বার আপনি যদি জানতে চান । তাহলে জেনে নিন দুবাইয়ের মোবাইল কোড নাম্বার হলো +971।


মালয়েশিয়া মোবাইল কোড নাম্বার


আপনি যদি মালয়েশিয়ার মোবাইল কোড নাম্বার জানতে চান । তাহলে সহজেই জেনে নিন মালয়েশিয়ার মোবাইল কোড নাম্বার হলো +60।


বাংলাদেশের মোবাইল কোড নাম্বার


বাংলাদেশের মোবাইল কোড নাম্বার কত এটি লিখে গুগলে অনেক এ সার্চ করেন তো এদের সহজ উত্তর হলো বাংলাদেশের মোবাইল কোড নাম্বার হলো  +88।

এইছিল আজকের আর্টিকেল আশা করি তা আপনার উপকারে আসবে ।

এপ্লিকেশন লেখার সহজ নিয়ম - ১ টি এপ্লিকেশন শিখে লেখুন ১০ টি এপ্লিকেশন ।

ইংরেজি এপ্লিকেশন লেখার নিয়ম

English application format


 সালামুআলাইকুম সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা সকলকে স্বাগত জানাই আজকের আমার স্বপ্ন টোয়েন্টিফোরের নতুন একটি আর্টিকলে । 

একটি এপ্লিকেশন দিয়ে লেখুন অনেক এপ্লিকেশন ।

application format.
magic Application 2022

এপ্লিকেশন লেখার কৌশল 

বন্ধুরা অনেকেই আছেন যে অনেক লেখাপড়া করার পরেও ইংরেজি এপ্লিকেশন অনেক সময় কমন পড়ে না,  অথবা অল্প সময়ে অনেক গুলো (application ) পড়ার সময়ে নেই এবং এবং শর্টকাট টেকনিক দিয়ে Application লিখতে চান তাদের জন্যই মূলত এই  Magic Application টি । 


নিয়ম টি ফলো করতে পারেন --ইনশাআল্লাহ কাজে আসবে ।

অন্য পোষ্ট : কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সময়সূচি ২০২২

■ magic application একটি শিখে যতগুলো লিখতে পারবেন তা হলো:

1) Common room 

2) Computer club 

3)Debating Club

4) Canteen 

5) Literacy club

6) Reading Room 

7) Dharma stage

8) Hostel

9) Multimedia classroom

10) Language club 


উপরের দেওয়া সব গুলো Application লিখতে পারবেন । 

তাই চলো দেরি না করে দেখে নেই নিয়মটি ।


অন্য পোষ্ট : সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড নাম্বার জানুন

Magic Application 


Date ................

The Principal

Al-hera jameya islamiya fazil degree madrash,

Sub: Prayer for setting up(যা আসবে)

Sir,

We , the students of your madrash beg most respectfully to state that our madrash is a famous madrash in our district.  It is  enriched  with  many facilities . But , It is a matter of sorrow that there is no  ( যা আসবে তার নাম)  in our madrash . Without it , a modern madrash cannot be imagined. 


We, therefore request you to set up  ( যা আসবে ) in our madrash and oblige thereby. 


We remain sir 

All students of your madrash

আরো পড়ুন > ইংরেজীতে প্যারাগ্রাফ লেখার সহজ নিয়ম 

আরো পড়ুন : ঈদুল  আযহা এবং কুরবানীর নিয়ম 

বন্ধুরা এই ছিল আমাদের আজকের আর্টিকেল । এটি কেমন হল আশা করি কমেন্ট করে জানাবেন এবং নিয়মিত পেজ ভিজিট করবেন ।

আরো পড়ুন : ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ কবে 2022

আরো পড়ুন : জন্ম নিবন্ধন কি, কিভাবে অনলাইন করবেন

Contact Form

JSON Variables

Tarunner konto - তারুণ্যের কন্ঠ

Search This Blog

Subscribe Us

Ad Space

Responsive Advertisement

#Advertisement

Latest

{getWidget} $results={3} $label={recent} $type={list2}

Labels

Labels

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's.

Comments

{getWidget} $results={3} $label={comments} $type={list1}

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Popular Posts

দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম, application,2022

  দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম । আজকে আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখবো এবং । একটা শিখে কি করে অনেকগুলো দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখা যায় সেই বিষয়ে আজকের লেখাটা ।  দরখাস্ত লেখার নিয়ম / পদ্ধতি  দরখাস্ত লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আর এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে দরখাস্ত না  লিখলে দরখাস্ত বর্জন করা হয়। তাহলে চলুন জেনে নেই সঠিক দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী- প্রথমে সবার উপরে তারিখ লিখতে হয়।  এরপর প্রাপকের নাম, পদবী এবং ঠিকানা লিখতে হবে।  এর নিচে আপনার আবেদন এর বিষয় লিখতে হবে।  আবেদনের বিষয় আপনার আবেদনের মূল অংশ।  বিষয় লেখার নিচে জনাব/জনাবা শব্দটি লিখতে হয়। তবে বর্তমানে জনাবা লেখা হয় না। তা  জনাব লেখায় শ্রেয়।  এরপর আপনার আবেদনপত্রটি যে বিষয়ে লেখা হবে ঠিক সে বিষয়ে নিয়ে আপনার সংক্ষিপ্ত আকারে গঠনমূলকভাবে বর্ণনা করবেন।  আপনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লেখার পর নিচে বিনীত/ইতি কথাটি লিখতে হয়। এরপর আপনার নাম অর্থাৎ আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা দিতে হবে।  এখন আপনার আবেদনপত্রটি একটি সুন্দর খামের মধ্যে রেখে প্রাপকের নিকট পাঠাতে হবে।  দরখাস্...

এপ্লিকেশন লেখার সহজ নিয়ম - ১ টি এপ্লিকেশন শিখে লেখুন ১০ টি এপ্লিকেশন ।

ইংরেজি এপ্লিকেশন লেখার নিয়ম English application format  সালামুআলাইকুম সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা সকলকে স্বাগত জানাই আজকের আমার স্বপ্ন টোয়েন্টিফোরের নতুন একটি আর্টিকলে ।  একটি এপ্লিকেশন দিয়ে লেখুন অনেক এপ্লিকেশন । magic Application 2022 এপ্লিকেশন লেখার কৌশল  বন্ধুরা অনেকেই আছেন যে অনেক লেখাপড়া করার পরেও ইংরেজি এপ্লিকেশন অনেক সময় কমন পড়ে না,  অথবা অল্প সময়ে অনেক গুলো (application ) পড়ার সময়ে নেই এবং এবং শর্টকাট টেকনিক দিয়ে Application লিখতে চান তাদের জন্যই মূলত এই  Magic Application টি ।  নিয়ম টি ফলো করতে পারেন --ইনশাআল্লাহ কাজে আসবে । অন্য পোষ্ট : কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সময়সূচি ২০২২ ■ magic application একটি শিখে যতগুলো লিখতে পারবেন তা হলো: 1) Common room  2) Computer club  3)Debating Club 4) Canteen  5) Literacy club 6) Reading Room  7) Dharma stage 8) Hostel 9) Multimedia classroom 10) Language club  উপরের দেওয়া সব গুলো Application লিখতে পারবেন ।  তাই চলো দেরি না করে দেখে নেই নিয়মটি । অন্য পোষ্ট : সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড না...

ঈদুল আযহা । ঈদুল আযহা কত তারিখ 2022 । কোরবানির ঈদ কবে । ঈদূল আযহা 2022

 সুপ্রিয় ইসলামী দ্বীনি ভাই এবং বোনেরা আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই আর্টিকেলে । ঈদুল আযহা কত তারিখে  সামনে আসছে ঈদ উল আযহার দিন অনেকে হয়তো জানে আর অনেকে হয়তো জানেনা ঈদুল আযহার তথা কোরবানির ঈদ কবে হবে । যারা জানেন না তাদেরকে অগ্রিম জানানোর জন্য আজকের পোস্টটি ।  আজকের  আর্টিকেল শিরোনাম : ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা কত তারিখে কোরবানির ঈদ ২০২২ কবে হবে  ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম কানুন ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত ঈদুল আজহার নামাজের কিছু জ্ঞাতব্য  আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে অনেককিছু জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হচ্ছে ঈদুল আযহার তথা কুরবানির ঈদ।   জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে যে আনন্দ ফুর্তি করা হয় তাকে ঈদুল আযহা বলা হয় । ঈদুল আযহা ২০২২ কত তারিখে  আপনারা হয়তো জানেন ঈদুল আযহার তথা কুরবানীর ঈদ উল ফিতরের প্রায় দুইমাস ১০ দিনপর জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ অনুষ্ঠিত হয় । স...

Top News

সীমান্ত টাইমস
প্রচ্ছদসুনামগঞ্জজাতীয়সারাদেশআন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅপরাধশিক্ষালাইফস্টাইলফটোভিডিও