🔴 ব্রেকিং
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
ADVERTISEMENT — Top Banner

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর →
সংবাদ লোড হচ্ছে...

সুনামগঞ্জ

সব খবর →

জাতীয়

সব খবর →

রাজনীতি

সব খবর →

অপরাধ

সব খবর →

খেলাধুলা

সব খবর →

বিনোদন

সব খবর →

ঈদুল ফিতর কত তারিখে 2023 - edul fitor 2023

 পবিত্র ঈদুল ফিতর 2023 


ঈদ মানেই আনন্দ , ঈদ মানেই খুশি । 


সুপ্রিয় মুসলিম ভাই এবং বোনেরা আসসালামু আলাইকুম স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই নতুন আরেকটি আর্টিকেলে । আজকের আর্টিকেলের বিষয় পবিত্র ঈদুল ফিতর 2023 কবে হবে এবং ঈদুল ফিতরের সুন্নত ও ওয়াজিব সমূহ নিয়ে আজকের আর্টিকেলে এই বিষয়ে আলোচনা করবো । তাই সম্পূর্ণটি পড়ার অনুরোধ রইলো । 


Edul fithor 2023 - ঈদুল ফিতর ২০২৩
ঈদুল ফিতর ২০২৩


পবিত্র ঈদুল ফিতর 2023


 ● ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানেই হচ্ছে খুশি । তাইতো আমরা মুসলিমরা ঈদকে খুবই ভালোবাসি । আসলেই ঈদের মধ্যে রয়েছে মুমিন বান্দাদের জন্য বড়ই নেয়ামত । তেমনি ঈদুল ফিতর বা রমজানের পরের ঈদ মূমিন বান্দাদের নিকট খুবই আনন্দের ও খুশির নিয়ামতে পরিপূর্ণ । মুমিনরা প্রায় দীর্ঘ একমাস রোজা রাখার পর আসে এই ঈদুল ফিতর যা মুমিনদের জন্য নিয়ে আসে আনন্দ ও খুশি । 


তাই বলতে হয় :

ঈদ মানেই আনন্দ,  ঈদ মানেই খুশি তাইতো ঈদকে আমরা এতো ভালোবাসি ।


পবিত্র ঈদুল ফিতর কত তারিখে 2023


2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে 


●  আপনি জানতে চান ঈদুল ফিতর কত তারিখে তাহলে নিছে থেকে দেখে নিন :


পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে হবে ২০২৩ 

ঈদুল ফিতর ২০২৩ ফাইনাল তারিখ 


= আপনি 2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে হবে জানতে চান তাহলে দেখে নিন : 2023 সালের ঈদুল ফিতর হবে 


2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে 

=

পবিত্র মাহে রমজানের একমাস সিয়াম সাধনার পর 2023 সালের এপ্রিল মাসের ২২ তারিখ ,  ৯ই বৈশাখ ১৪৩০ বাংলা বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্টিত হবে । 



ঈদুল ফিতরকে নিয়ে ছন্দ 

ইদুল ফিতর কে নিয়ে কবিতা 

ঈদ মানেই আনন্দ,  ঈদ মানেই খুশি ।

ঈদের আনন্দে আসো হই মাখামাখি ।




ঈদুল ফিতর 2023 


রমজানের ঈদ 2023


রোজার ঈদ 2023


ঈদুল ফিতর কবে 2023


ঈদুল ফিতর কত তারিখ হবে 2023


রোজার ঈদ কবে হবে

পবিত্র রমজান ২০২৩ 

রমজান মাস কত তারিখে 2023

 পবিত্র মাহে রমজান কত তারিখে 2023 

সুপ্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা

আজকের আর্টিকেলটিতে আপনারা জানতে পারবেন - 2023 সালের মাহে রমজান কবে । তথা 2023 সালের রমজান মাস কবে কত তারিখ থেকে শুরু হবে আপনারা এই একটি আর্টিকেল থেকেই সম্পূর্ণ জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ ।

মাহে রমজান - রমজান মাস কবে
পবিত্র মাহে রমজান 2023

রমজান মাস কবে শুরু 2023

=
মাহে রমজান প্রত্যেক মুসলিম মুসলিমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন । মাহে রমজান হচ্ছে মুসলিমদের জন্য সিয়াম সাধনার মাস । বছরের ১২ টি মাসের মধ্যে এই রমজান মাস খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি মাস ।

2023 সালে কোন মাসে রোজা হবে

মাহে রমজান কত তারিখে 2023

=
সিয়াম সাধনার এক মহান পবিত্র মাস হচ্ছে মাহে রমজান মাস ।
রমমত , মাগফেরাত , নাজাত এর বার্তা নিয়ে 2023 সালে রমজান শুরু হবে মার্চ মাসের শেষের দিকে ।

২০২৩ সালের রোজা কত তারিখ থেকে শুরু

=
2023 সালের পবিত্র মাহে রমজান তথা রোজা শুরু হবে 23 মার্চ 2023 ইং , ০৯ চৈত্র ১৪২৯ বাংলা । ( বিশেষ দ্রষ্টাব্য : আরবী মাস গুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল ।

2023 সালের রমজান মাস শেষ হবে কবে

=
২০২৩ সালের মাহে রমজান মাস শেষ হবে ২১ এপ্রিল ২০২৩ ইং , ০৮ বৈশাখ ১৪৩০ বাংলা , ৩০ রামাদান ১৪৪৪ হিজরী ( বিশেষ দ্রষ্টাব্য : আরবী মাস গুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )

2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে

=
পবিত্র মাহে রমজানের একমাস সিয়াম সাধনার পর 2023 সালের এপ্রিল মাসের ২২ তারিখ ,  ৯ই বৈশাখ ১৪৩০ বাংলা মুসলিমরা পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে ।

2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে

= ২০২৩ সালের রোজার পর 22 এপ্রিল , ০৯ ই বৈশাখ ঈদুল ফিতর অনুষ্টিত হবে ।
( বিশেষ দ্রষ্টাব্য : আরবী মাস গুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল )

আরো পড়ুন :

ঈদুল ফিতর ২০২৩ কত তারিখে হবে 

জুময়ার নামাজের স্পেশাল ফজিলত


■ Tag মুহূহ :

2023 সালে কোন মাসে রোজা হবে


2023 সালের রমজান মাস কবে

 

২০২৩ সালের মাহে রামাদান কবে শুরু হবে

 

২০২৩ সালের রোজা কত তারিখ থেকে শুরু

 

রোজা কত তারিখে শুরু হবে

 

রোজা 2023


রোজার মাস শুরু হবে কত তারিখ

2023 সালে কোন মাসে রোজা হবে

2023 সালের রমজান মাস

2023 সালের ঈদুল ফিতর কবে

ঈদুল ফিতর কবে 

যিনা বা ব্যভিচার কি - যেনা ব্যভিচারের শাস্তি কি যেনা কি - jhina ki

 যিনা বা ব্যভিচার কি - যেনা ব্যভিচারের শাস্তি কি 

যিনা বা ব্যভিচার কি - যেনা ব্যভিচারের শাস্তি কি   যেনা কি
যেনা ব্যভিচার থেকে বাচার উপায়

যেনা কি 

ব্যভিচার কি 

যিনা বা ব্যভিচার বলতে বুঝায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধন ছাড়া অবৈধ পন্থায় যৌন তৃপ্তি লাভ করাকে। ইসলামী শরীয়াতে অবৈধ পন্থায় যৌন সম্ভোগ সম্পূর্ণ হারাম এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

# রাসূল (সা) বলেছেন, ‘মানুষ তার সমগ্র ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে জিনা করে। দেখা হচ্ছে চোখের জিনা,ফুঁসলানো কণ্ঠের জিনা, তৃপ্তির সাথে কথা শোনা কানের জিনা, হাত দিয়ে স্পর্শ করা হাতের জিনা, কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে পথ চলা পায়ের জিনা, এভাবে ব্যভিচারের যাবতীয় ভূমিকা যখন পুরোপুরি পালিত হয়, তখন লজ্জাস্থান তার পূর্ণতা দান করে অথবা পূর্ণতা দান থেকে বিরত থাকে’ (বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ)।


যিনা কবিরা গুনাহ যা তাওবাহ ব্যাতিরেকে মাফ হয় না। কুরআন শরীফে বলা হয়েছে, ”লা তাকরাবাল যিনা” যার অর্থ “তোমরা যিনার ধারে-কাছেও যেও না। ”

যেনা কত প্রকার ও কি কি

যিনা বিভিন্ন প্রকার হ’তে পারে। নিজের স্ত্রী বা দাসী ব্যতীত অন্য মহিলার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করাকে যৌনাঙ্গের যিনা বলে। এছাড়া চোখের যেনা হচ্ছে মাহরাম ব্যতীত অন্য মহিলার দিকে কামনার দৃষ্টি নিক্ষেপ করা। মুখের বা জিহবার যেনা হচ্ছে কামভাবে কথা বলা (বুখারী, ফাতহুল বারী হা/৬২৪৩, ১১/৩০)।


যেনা ব্যভিচারের শাস্তি

ইসলামে ব্যভিচারের শাস্তি ব্যক্তিভেদে একটু ভিন্ন। ব্যভিচারী যদি বিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। আর যদি অবিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে একশ’ ছড়ি মারা হবে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একই শাস্তি।

কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ, তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। ’ –সূরা নূর: ২

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘অবিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে শাস্তি একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত ও রজম (পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড)। ’ (সহিহ মুসলিম)


যেনা ব্যভিচার থেকে বাচার উপায়

আজকাল প্রযুক্তির যুগে অনেক মানুষ ঐ যেনা ব্যভিচার ও অশ্নিলতার মধ্যে আসক্ত । আর নিচের হাদিসে বর্ণিত দোয়াটির নিয়মিত আমলের ফলে দুনিয়ার সব নিকৃষ্ট কাজ যেমন- পর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, চারিত্রিক কামনা-বাসনা, পরনারীর প্রতি কুদৃষ্টিসহ বিভিন্ন অপকর্ম থেকে দূরে থাকা যাবে। হাদিসে উল্লেখিত দোয়াটি নামাজের সেজদায় বেশি বেশি পড়াই সর্বোত্তম। আর তাহলো-

আরও পড়ুন > জুময়ার নামাজের নিয়ত 

হজরত যিয়াদ ইবনে ইলাক্বাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি।’

অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই।’ (তিরমিজি)


আরো পড়ুন > জুময়ার নামাজের স্পেশাল আমল 

আশুরা কি - আশুরা কত তারিখে - Ashura

 

আশুরা কি - আশুরা কত তারিখে - আশুরার রোজা কয়টি - আশুরার আমল ও ফজিলত 

আসসালামু আলাইকুম স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই নতুন আর্টিকেলে । আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো আশুরা কি ? 2022 সালের আশুরা কত তারিখে পালিত হবে । এবং আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হবে । তাহলে চলুন দেখা নেই ।

আশুরা কি - আশুরা আমল ও ফজিলত
আশুরা কি  - আশুরার আমল ও ফজিলত 


আশুরা কি 


আরবি শব্দ আশরুন তথা দশ শব্দটি থেকে আশুরার শব্দের উৎপত্তি। মহররমের দশ তারিখকে সম্মানিত বলে পবিত্র আশুরা বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকাবহ এ দিনটিকে কেউ দোয়া মুনাজাত আবার কেউ মাতমের মাধ্যমে পালন করে থাকেন। এদিনটি আসমানী কিতাবসমূহের অনুসারীদের কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামের ইতিহাসে ৬১ হিজরি তথা ৬৮০ খ্রিস্টাব্দের দশই মহররম। [২]




আশুরা কত তারিখ ২০২২ | মহরম কত তারিখে ২০২২ | আশুরা ২০২২ কত তারিখে


আপনারা অনেকে জানেন না! যে এ বছর মহররম মাসে আশুরা কত তারিখে পালিত হবে। আর তাই আজকের এই পোস্টে  আশুরা মহররম মাসের ১০ তারিখ কবে উল্লেখ করা হয়েছে। এবছর আশুরা পালিত হবে আগস্ট মাসের ০৯ ই তারিখ বা মঙ্গলবার ।


মহরম ছুটি কত তারিখে ২০২২ | মহরম কত তারিখে হবে


বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর থেকে চাঁদ দেখা কমিটি মহরম মাসের আশুরার দিন তারিখ ঠিক করেছে। যার জন্য মহরম মাসের আশুরা উপলক্ষে সরকারি ছুটি কত তারিখে নির্ধারিত হবে তা প্রকাশ পেয়েছে। আগস্ট মাসের ১০ ই তারিখ রোজ: বুধবার মহরম মাসের আশুরা উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  

আশুরার রোজা কত তারিখে
আশুরাররোজা কয়টি রাখতে হবে 

আরো পড়ুন : মাহে রমজান কত তারিখে 2023

ঈদুল ফিতর ২০২৩ কত তারিখে 

আশুরার আমল ও ফজিলত


আশুরার রোজা সব নবী-রাসুলের আমলেই ছিল। নবীজি (সা.) মক্কা মুকাররমায় থাকতে আশুরার রোজা পালন করতেন। হিজরতের পর মদিনায় এসে দেখতে পেলেন, ইহুদিরাও এদিনে রোজা রাখছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানতে পারলেন, এদিনে মুসা (আ.) সিনাই পর্বতে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওরাত লাভ করেন। এদিনেই তিনি বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের কয়েদখানা থেকে উদ্ধার করেন এবং এদিনেই তিনি বনি ইসরাইলদের নিয়ে লোহিত সাগর অতিক্রম করেন। আর ফেরাউন সেই সাগরে ডুবে মারা যায়। তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য ইহুদিরা এদিন রোজা রাখে। মহানবী (সা.) বললেন, মুসা (আ.)–এর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তাদের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ। অতঃপর তিনি মহররমের ৯-১০ অথবা ১০-১১ মিলিয়ে দুটি রোজা রাখতে বললেন, যাতে ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য না হয়। দ্বিতীয় হিজরিতে রমজান মাসের রোজা ফরজ করা হলে আশুরার রোজা নফল হয়ে যায়। তবে রমজানের রোজার পর আশুরার রোজা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ। এ মাসের নফল রোজা ও অন্যান্য ইবাদত রমজান মাস ব্যতীত অন্য যেকোনো মাস অপেক্ষা উত্তম। (মুসলিম ও আবুদাউদ)


রাসুলে করিম (সা.) বলেন, ‘আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী আল্লাহ তাআলা এর অসিলায় অতীতের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।’ রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘রমজানের রোজার পর মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ, যেমন ফরজ নামাজের পরে শেষ রাতের তাহাজ্জত নামাজ সবচেয়ে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন।’ (তিরমিজি ও মুসনাদে আহমাদ)।


উম্মুল মুমিনিন হজরত হাফসা (রা.) বলেন, রাসুলে আকরাম (সা.) চারটি কাজ জীবনে কখনো পরিত্যাগ করেননি। আশুরার রোজা, জিলহজের প্রথম দশকের রোজা, আইয়ামে বিদের রোজা, ফজর ওয়াক্তে ফরজের আগে দুই রাকআত সুন্নত নামাজ।


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আশুরার দিনে পরিবারের ব্যয় বৃদ্ধি করবে, ভালো খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করবে; আল্লাহ তাআলা সারা বছরের জন্য তার প্রাচুর্য বাড়িয়ে দেবেন।’ বিশিষ্ট তাবিয়ি হজরত সুফিয়ান ছাওরি (র.) বলেন, ‘আমরা এটি পরীক্ষা করেছি এবং এর যথার্থতা পেয়েছি।’ (মিশকাত: ১৭০; ফয়জুল কালাম: ৫০১, পৃষ্ঠা: ৩৪৯; বায়হাকি ও রাজিন)

  1. আরো পড়ুন > জুময়ার নামাজের স্পেশাল আমল 

দোয়া কেন কবুল হয়না - দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত

 আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা ।

আমরা অনেকেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর কাছে অনেক কিছুর দোয়া করি কিন্তু তা কিছু কবুল হয় কিছু কবুল হয় না । আজকের আর্টিকেলে আমরা ৯টি  দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত জানবো  । যেগুলো মেনে দোয়া করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন । তে চলুন জেনে নেই দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত গুলো :


দোয়া কেন কবুল হয়না 

দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত
দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত 


দোয়া কবুলের পূর্বশর্ত সমূহ 


আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কাউকে না ডাকা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলেন: “যখন প্রার্থনা করবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করবে এবং যখন সাহায্য চাইবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য চাইবে।”[সুনানে তিরমিযি (২৫১৬), আলবানী ‘সহিহুল জামে’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] এটাই হচ্ছে আল্লাহ্‌র বাণীর মর্মার্থ “وَّ اَنَّ الۡمَسٰجِدَ لِلّٰہِ فَلَا تَدۡعُوۡا مَعَ اللّٰہِ اَحَدًا এবং এই যে মাসজিদসমূহ, আল্লাহরই জন্য। সুতরাং আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কেহকেও ডেকনা। And the mosques are for Allah (Alone), so invoke not anyone along with Allah.”[সূরা জিন্‌, আয়াত: ১৮] দোয়ার শর্তগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এ শর্ত পূরণ না হলে কোন দোয়া কবুল হবে না, কোন আমল গৃহীত হবে না। অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মৃতব্যক্তিদেরকে মাধ্যম বানিয়ে তাদেরকে ডাকে। তাদের ধারণা যেহেতু তারা পাপী ও গুনাহগার, আল্লাহ্‌র কাছে তাদের কোন মর্যাদা নেই; তাই এসব নেককার লোকেরা তাদেরকে আল্লাহ্‌র নৈকট্য হাছিল করিয়ে দিবে এবং তাদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মধ্যস্থতা করবে। এ বিশ্বাসের কারণে তারা এদের মধ্যস্থতা ধরে এবং আল্লাহ্‌র পরিবর্তে এ মৃতব্যক্তিদেরকে ডাকে। অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন: “আর আমার বান্দারা যখন আপনাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে (তখন আপনি বলে দিন) নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী। দোয়াকারী যখন আমাকে ডাকে তখন আমি ডাকে সাড়া দিই।”[সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৬] 



শরিয়ত অনুমোদিত পন্থায় দোয়া করা 


২. শরিয়ত অনুমোদিত কোন একটি মাধ্যম দিয়ে আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে ওসিলা দেয়া। 



দোয়ার মধ্যে তাড়াহুড়ো না করা 


৩. দোয়ার ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করা। তাড়াহুড়া করা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে বড় বাধা। হাদিসে এসেছে, “তোমাদের কারো দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তাড়াহুড়া করে বলে যে: ‘আমি দোয়া করেছি; কিন্তু, আমার দোয়া কবুল হয়নি”[সহিহ বুখারী (৬৩৪০) ও সহিহ মুসলিম (২৭৩৫)] সহিহ মুসলিমে (২৭৩৬) আরও এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে। বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করে। জিজ্ঞেস করা হল: ইয়া রাসূলুল্লাহ! তাড়াহুড়া বলতে কী বুঝাচ্ছেন? তিনি বললেন: বলে যে, আমি দোয়া করেছি, আমি দোয়া করেছি; কিন্তু আমার দোয়া কবুল হতে দেখিনি। তখন সে ব্যক্তি উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং দোয়া ছেড়ে দেয়।” 



দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা 


৪. দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া না হওয়া; যেমনটি ইতিপূর্বে উল্লেখিত হাদিসে এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে।” 



আল্লাহর প্রতি ভাল ধারনা রাখা 


৫. আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা নিয়ে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা করে আমি তেমন।”[সহিহ বুখারী (৭৪০৫) ও সহিহ মুসলিম (৪৬৭৫)] আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে, “তোমরা দোয়া কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস (একীন) নিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া কর।”[সুনানে তিরমিযি, আলাবানী সহিহুল জামে গ্রন্থে (২৪৫) হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন] তাই যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা পোষণ করে আল্লাহ্‌ তার উপর প্রভুত কল্যাণ ঢেলে দেন, তাকে উত্তম অনুগ্রহে ভূষিত করেন, উত্তম অনুকম্পা ও দান তার উপর ছড়িয়ে দেন। 

অন্য পোষ্ট : জুমুআর নামাজের বিশেষ আমল 

মাহে রমজান কত তারিখে 2023

দোয়াতে মনোযোগী হওয়া 


৬. দোয়াতে মনোযোগ থাকা। দোয়াকালে দোয়াকারীর মনোযোগ থাকবে এবং যাঁর কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে তাঁর মহত্ত্ব ও বড়ত্ব অন্তরে জাগ্রত রাখবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা জেনে রাখ, আল্লাহ্‌ কোন উদাসীন অন্তরের দোয়া কবুল করেন না।”[সুনানে তিরমিযি (৩৪৭৯), সহিহুল জামে (২৪৫) গ্রন্থে শাইখ আলবানী হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন] 



খাদ্য হালাল হওয়া 


৭. খাদ্য পবিত্র (হালাল) হওয়া। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “আল্লাহ্‌ তো কেবল মুত্তাকীদের থেকেই কবুল করেন”[সূরা মায়েদা, আয়াত: ২৭] এ কারণে যে ব্যক্তির পানাহার ও পরিধেয় হারাম সে ব্যক্তির দোয়া কবুল হওয়াকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদূরপরাহত বিবেচনা করেছেন। হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি দীর্ঘ সফর করেছেন, মাথার চুল উস্কুখুস্ক হয়ে আছে; তিনি আসমানের দিকে হাত তুলে বলেন: ইয়া রব্ব, ইয়া রব্ব! কিন্তু, তার খাবার-খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পরিধেয় হারাম, সে হারাম খেয়ে পরিপুষ্ট হয়েছে তাহলে এমন ব্যক্তির দোয়া কিভাবে কবুল হবে?[সহিহ মুসলিম, (১০১৫)] ইবনুল কাইয়্যেম (রহঃ) বলেন, হারাম ভক্ষণ করা দোয়ার শক্তিকে নষ্ট করে দেয় ও দুর্বল করে দেয়। 


দোয়াতে শিমালঙ্ঘন না করা 


৮. দোয়ার ক্ষেত্রে কোন সীমালঙ্ঘন না করা। কেননা আল্লাহ্‌ তাআলা দোয়ার মধ্যে সীমালঙ্ঘন করাটা অপছন্দ করেন। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “তোমরা বিনীতভাবে ও গোপনে তোমাদের রবকে ডাক; নিশ্চয় তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।” [সূরা আরাফ, আয়াত: ৫৫] আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন 41017 নং প্রশ্নোত্তর। 



ফরজ আমল গুলো যথাযথ ভাবে পালন করা 


৯. ফরয আমল বাদ দিয়ে দোয়াতে মশগুল না হওয়া। যেমন, ফরয নামাযের ওয়াক্তে ফরয নামায বাদ দিয়ে দোয়া করা কিংবা দোয়া করতে গিয়ে মাতাপিতার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা। খুব সম্ভব বিশিষ্ট ইবাদতগুজার জুরাইজ (রহঃ) এর কাহিনী থেকে এ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ জুরাইজ (রহঃ) তার মায়ের ডাকে সাড়া না দিয়ে ইবাদতে মশগুল থেকেছেন। ফলে মা তাকে বদদোয়া করেন; এতে করে জুরাইজ (রহঃ) আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, আলেমগণ বলেছেন: এতে প্রমাণ রয়েছে যে, জুরাইজের জন্য সঠিক ছিল মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া। কেননা তিনি নফল নামায আদায় করছিলেন। নফল নামায চালিয়ে যাওয়াটা হচ্ছে- নফল কাজ; ফরয নয়। আর মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব এবং মায়ের অবাধ্য হওয়া হারাম....”[শারহু সহিহু মুসলিম (১৬/৮২)]


আরো পড়ুন : জুময়ার নামাজ ও জুময়ার নামাজের নিয়ত 

এইছিল দোয়ার কিছু পূর্বশর্ত । পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ।

ঈদুল আযহা কী ।কুরবানীর ঈদ কী। কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী জায়েয ।ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত ।

আসসালামুআলাইকুম
ঈদ মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মুসলিম উম্মাহ প্রতি বছর দু'টি ঈদ উদযাপন করে। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই সামনে যেহেতু ঈদুল  আযহার আসছে তাই আজকের পোস্টে ঈদুল আযহার  নামাজের নিয়ত ও নিয়ম এবং কুরবানীর নিয়ম সমস্ত বিষয় নিছে তুলে ধরা হলো-।
eidul adha


ঈদুল আযহা কী

কুরবানীর ঈদ কী 


ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হচ্ছে ঈদুল আযহার তথা কুরবানির ঈদ।  

জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে যে আনন্দ ফুর্তি করা হয় তাকে ঈদুল আযহা বলা হয় ।

কুরবানী  কি kurbani ki


আরবী ‘কুরবান’ শব্দটি ফারসী বা উর্দুতে ‘কুরবানী’ রূপে পরিচিত হয়েছে, যার অর্থ ‘নৈকট্য’। পশু কুরবানীর মাধ্যমে মনের পশুকে কুরবানী করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। ১০ ই জিলহজ্জ ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ ই জিলহজ্জ সূর্যস্ত পর্যন্ত কুরবানী করা যায়। তবে প্রথম দিন করা উত্তম।


কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী জায়েয 


কুরবানীর সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে পশু ক্রয় করা। কুরবানির পশু সুঠাম, সুন্দর ও নিখুঁত হওয়া চাই। তাই পশু কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই যাচাই বাছাই করে ক্রয় করতে হবে। kurbanir poshu
১. উট
২. গরু
৩. মহিষ
৪. ছাগল
৫. ভেড়া এবং
৬. দুম্বা
এ ছয় প্রকারের পশু ব্যতীত অন্যকোন পশু দিয়ে কুরবানী করলে তা জায়েয হবে না।

ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত 


نويت أن أصلي لله تعالى ركعتـى صـلـواة عيد الأضحى مع ست تـكـبـيـرات واجـب الـلـه تـعـالـي اقـتـديـت بهـذا الامـام مـتـوجـها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
ঈদুল আযহার নামাজের বাংলা নিয়ত:

ঈদুল আযহার ২ রাকাআত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি... আল্লাহু আকবার।

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম



প্রথম রাকাআত১. তাকবিরে তাহরিমাঈদের নামাজে নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধা।২. ছানা পড়া'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।৩. অতিরক্তি ৩ তাকবির দেয়া।এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া এবং তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত বেধেঁ নেয়া।৪. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া৫. সুরা ফাতেহা পড়া৬. সুরা মিলানো। অতপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাআত শেষ করা।

দ্বিতীয় রাকাআত১. বিসমিল্লাহ পড়া২. সুরা ফাতেহা পড়া৩. সুরা মিলানো।৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া। প্রথম রাকাআতের মতো দুই তাকবিরে উভয় হাত কাধ বরাবর উঠিয়ে ছেড়ে দেয়া অতপর তৃতীয় তাকবির দিয়ে হাত বাঁধা।৫. তারপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া।৬. সেজদা আদায় করে তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।


তারপর খুতবাঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবে।






ঈদের দিনের সুন্নত ও মোস্তাহাব আমল 



* ভোরে উঠে নিজ এলাকার মসজিদে ফজর নামাজ জামাতে আদায় করে দৈহিক ও মানসিকভাবে ঈদের নামাজ আদায় করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

* মিসওয়াক করাসহ ভালোভাবে গোসল করা।

* সুগন্ধি ব্যবহার করা।

* সাধ্যানুযায়ী সুন্দর, পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরিধান করা।

* সাদকাতুল ফিতর যার ওপর ওয়াজিব তা ঈদের নামাজের পূর্বেই আদায় করা।

* ঈদগাহে যথাশীঘ্র আগে যাওয়া

* সামর্থ্য অনুযায়ী দান-খয়রাত করা।

*ঈদুল আজহায় কোরবানির পর খাওয়া।

* পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া।

* ঈদগাহে এক রাস্তায় যাওয়া এবং অন্য রাস্তায় আসা।

* ধীরস্থিরভাবে ঈদগাহে যাওয়া।

*  ঈদুল আজহার দিন ঈদগাহে যাওয়ার সময়  ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ তাকবিরটি উচ্চস্বরে পড়া মোস্তাহাব।

* চলতে ফিরতে ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ (আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ও আপনাদেরকে কবুল করুন) -এই বাক্য দ্বারা অপর মুসলমানদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে।

* কোরবানি ঈদের দিন যে লোক নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি করবে, তার জন্য ঈদের নামাজ ও কোরবানির জন্তু জবেহ করার পর নখ ও লোম কাটা মোস্তাহাব। এতে করে হাজিদের সাথে তার সামঞ্জস্য ঘটে।

এই ছিল আজকের আর্টিকেল ।
ধন্যবাদ সবাইকে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য ।



ঈদুল আযহা । ঈদুল আযহা কত তারিখ 2022 । কোরবানির ঈদ কবে । ঈদূল আযহা 2022

 সুপ্রিয় ইসলামী দ্বীনি ভাই এবং বোনেরা আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই আর্টিকেলে ।

ঈদুল আযহা কত তারিখে
ঈদুল আযহা কত তারিখে 



সামনে আসছে ঈদ উল আযহার দিন অনেকে হয়তো জানে আর অনেকে হয়তো জানেনা ঈদুল আযহার তথা কোরবানির ঈদ কবে হবে । যারা জানেন না তাদেরকে অগ্রিম জানানোর জন্য আজকের পোস্টটি । 


আজকের  আর্টিকেল শিরোনাম :

ঈদুল আযহা কী ?

ঈদুল আযহা কত তারিখে

কোরবানির ঈদ ২০২২ কবে হবে 

ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম কানুন

ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত

ঈদুল আজহার নামাজের কিছু জ্ঞাতব্য 


আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে অনেককিছু জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

ঈদুল আযহা কী ?

ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’।

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হচ্ছে ঈদুল আযহার তথা কুরবানির ঈদ।  


জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে যে আনন্দ ফুর্তি করা হয় তাকে ঈদুল আযহা বলা হয় ।


ঈদুল আযহা ২০২২ কত তারিখে 


আপনারা হয়তো জানেন ঈদুল আযহার তথা কুরবানীর ঈদ উল ফিতরের প্রায় দুইমাস ১০ দিনপর জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ অনুষ্ঠিত হয় । সেই হিসেবে 


ঈদুল আযহা কোরবানির ঈদ ২০২২


বাংলাদেশে ঈদুল আযহা অনুষ্টিত হবে

১০ জুলাই , ২৬শে আষাঢ়  তারিখে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ উল আযহার অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুলাই, ২৫ আষাঢ়।


 আরবি মাস গুলোর চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল তাই একদিন কমবেশি হতে পারে ।




ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম ও পদ্ধতি:


প্রথমে নিয়ত করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে ছানা পড়তে হবে , এরপর অতিরিক্ত তিনটি  তাকবীর বলতে হবে এবং প্রতি তাকবীরেই উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠাতে হবে এরপর তায়াউজ(আউযুবিল্লাহি মিনাস শাইতুয়ানির রাজিম)ও  তাসমিয়া( বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ) পড়ে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা মিলিয়ে এক রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে । এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে সূরা মিলানোর পর তিনটি অতিরিক্ত তাকবীর বলতে হবে এবং তাকবীর বলার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠাতে হবে । এরপর রুকু তাকবীর বলে রুকুতে যেতে হবে ।এভাবেই ঈদুল আযহারের ওয়াজিব দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে এরপর ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে দুটি খুতবা পাঠ করবেন এবং উভয় খুৎবার মাঝে তিন তাসবীহ পরিমাণ বসতে হবে । মুক্তাদীদের প্রতি এই খুৎবা শ্রবন করা ওয়াজিব ।


ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত :


نويت أن أصلي لله تعالى ركعتـى صـلـواة عيد الأضحى مع ست تـكـبـيـرات واجـب الـلـه تـعـالـي اقـتـديـت بهـذا الامـام مـتـوجـها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر -

বাংলা উচ্চারণ : 

ঈদুল আযহার নামাযের আরবি নিয়তের বাংলা উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা আলা রাকয়াতাই ছালাতি ঈদিল আযহা মাআ ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তা আলা ইক্বতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবা'তিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার । 



 ঈদুল আযহা নামাজের  কতিপয় জ্ঞাতব্য ;


# কোন ব্যক্তি যদি ঈদের নামাযের জামাত না পায় তবে সে একাকী তা আদায় করবে না । কেননা জামাত ছাড়া ঈদের নামায আদায় হয় না । 

# কেউ যদি ইমামের তাকবীর বলার পর জামাতে শরীক হয় তবে সে নিজে নিজে অতিরিক্ত তাকবীরগুলো বলে নিবে । 


 # যদি ঈদুল আযহার নামায জিলহজ্জের দশ তারিখে আদায় করতে না পারে । তবে ১১ ও ১২ তারিখেও আদায় করার অনুমতি রয়েছে । 

#ঈদের নামাযের কোন কাজা নেই ।



 এই ছিল আজকের আর্টিকেলটি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি ।

আরো পড়ুন : সব দেশের মোবাইল ফোনের কোড জানুন

Contact Form

JSON Variables

Tarunner konto - তারুণ্যের কন্ঠ

Search This Blog

Subscribe Us

Ad Space

Responsive Advertisement

#Advertisement

Latest

{getWidget} $results={3} $label={recent} $type={list2}

Labels

Labels

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's.

Comments

{getWidget} $results={3} $label={comments} $type={list1}

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

Popular Posts

দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম, application,2022

  দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখার নিয়ম । আজকে আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়ম শিখবো এবং । একটা শিখে কি করে অনেকগুলো দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লেখা যায় সেই বিষয়ে আজকের লেখাটা ।  দরখাস্ত লেখার নিয়ম / পদ্ধতি  দরখাস্ত লেখার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আর এই নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে দরখাস্ত না  লিখলে দরখাস্ত বর্জন করা হয়। তাহলে চলুন জেনে নেই সঠিক দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী- প্রথমে সবার উপরে তারিখ লিখতে হয়।  এরপর প্রাপকের নাম, পদবী এবং ঠিকানা লিখতে হবে।  এর নিচে আপনার আবেদন এর বিষয় লিখতে হবে।  আবেদনের বিষয় আপনার আবেদনের মূল অংশ।  বিষয় লেখার নিচে জনাব/জনাবা শব্দটি লিখতে হয়। তবে বর্তমানে জনাবা লেখা হয় না। তা  জনাব লেখায় শ্রেয়।  এরপর আপনার আবেদনপত্রটি যে বিষয়ে লেখা হবে ঠিক সে বিষয়ে নিয়ে আপনার সংক্ষিপ্ত আকারে গঠনমূলকভাবে বর্ণনা করবেন।  আপনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লেখার পর নিচে বিনীত/ইতি কথাটি লিখতে হয়। এরপর আপনার নাম অর্থাৎ আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা দিতে হবে।  এখন আপনার আবেদনপত্রটি একটি সুন্দর খামের মধ্যে রেখে প্রাপকের নিকট পাঠাতে হবে।  দরখাস্...

এপ্লিকেশন লেখার সহজ নিয়ম - ১ টি এপ্লিকেশন শিখে লেখুন ১০ টি এপ্লিকেশন ।

ইংরেজি এপ্লিকেশন লেখার নিয়ম English application format  সালামুআলাইকুম সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা সকলকে স্বাগত জানাই আজকের আমার স্বপ্ন টোয়েন্টিফোরের নতুন একটি আর্টিকলে ।  একটি এপ্লিকেশন দিয়ে লেখুন অনেক এপ্লিকেশন । magic Application 2022 এপ্লিকেশন লেখার কৌশল  বন্ধুরা অনেকেই আছেন যে অনেক লেখাপড়া করার পরেও ইংরেজি এপ্লিকেশন অনেক সময় কমন পড়ে না,  অথবা অল্প সময়ে অনেক গুলো (application ) পড়ার সময়ে নেই এবং এবং শর্টকাট টেকনিক দিয়ে Application লিখতে চান তাদের জন্যই মূলত এই  Magic Application টি ।  নিয়ম টি ফলো করতে পারেন --ইনশাআল্লাহ কাজে আসবে । অন্য পোষ্ট : কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল সময়সূচি ২০২২ ■ magic application একটি শিখে যতগুলো লিখতে পারবেন তা হলো: 1) Common room  2) Computer club  3)Debating Club 4) Canteen  5) Literacy club 6) Reading Room  7) Dharma stage 8) Hostel 9) Multimedia classroom 10) Language club  উপরের দেওয়া সব গুলো Application লিখতে পারবেন ।  তাই চলো দেরি না করে দেখে নেই নিয়মটি । অন্য পোষ্ট : সকল দেশের মোবাইল ফোনের কোড না...

ঈদুল আযহা । ঈদুল আযহা কত তারিখ 2022 । কোরবানির ঈদ কবে । ঈদূল আযহা 2022

 সুপ্রিয় ইসলামী দ্বীনি ভাই এবং বোনেরা আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই আর্টিকেলে । ঈদুল আযহা কত তারিখে  সামনে আসছে ঈদ উল আযহার দিন অনেকে হয়তো জানে আর অনেকে হয়তো জানেনা ঈদুল আযহার তথা কোরবানির ঈদ কবে হবে । যারা জানেন না তাদেরকে অগ্রিম জানানোর জন্য আজকের পোস্টটি ।  আজকের  আর্টিকেল শিরোনাম : ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা কত তারিখে কোরবানির ঈদ ২০২২ কবে হবে  ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ম কানুন ঈদুল আযহার নামাজের নিয়ত ঈদুল আজহার নামাজের কিছু জ্ঞাতব্য  আশা করি আর্টিকেলটি পড়লে অনেককিছু জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ঈদুল আযহা কী ? ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি হচ্ছে ঈদুল আযহার তথা কুরবানির ঈদ।   জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ পশু জবাইয়ের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে যে আনন্দ ফুর্তি করা হয় তাকে ঈদুল আযহা বলা হয় । ঈদুল আযহা ২০২২ কত তারিখে  আপনারা হয়তো জানেন ঈদুল আযহার তথা কুরবানীর ঈদ উল ফিতরের প্রায় দুইমাস ১০ দিনপর জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ অনুষ্ঠিত হয় । স...

Top News

সীমান্ত টাইমস
প্রচ্ছদসুনামগঞ্জজাতীয়সারাদেশআন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅপরাধশিক্ষালাইফস্টাইলফটোভিডিও